হোমপেজ লোড হচ্ছে…
গেবেখা টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ও ৩১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতাও ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
খেলা ডেস্ক

বৃষ্টির কারণে প্রথম দুই দিনে খেলা হতে পেরেছিল মাত্র ৪৩ ওভার। এমন টেস্টে ফল বের করতে হলে করতে হতো অবিশ্বাস্য কিছু। সেই কাজটাই করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। তাঁর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে তাঁর দল এমন একটা সংগ্রহ পেয়ে গেছে যে অস্ট্রেলিয়া দুই ইনিংসে মিলিয়েও সেটি পার করতে পারেনি।আজ অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৫ রানে অলআউট করে ইনিংস ও ৩১ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতাও (১–১) ফিরিয়েছে স্বাগতিকেরা।প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ইয়ানসেনের সঙ্গে ১৩২ ও সাইমন হার্মারের সঙ্গে ১৮৩ রানের জুটি গড়েন বাভুমা। ৯ ঘণ্টার বেশি সময় ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক খেলেন ১৭৯ রানের ইনিংস।বাভুমার এই দুর্দান্ত ইনিংসের সুবাদে ৯ উইকেটে ৪২৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে অলআউট করে ফলোঅনে পাঠায় তারা। আজ ম্যাচের শেষ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৫৬ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া।ম্যাচ বাঁচাতে পুরো দিনটা কাটিয়ে দেওয়ার দরকার ছিল প্যাট কামিন্সের দলের। এই লড়াইয়ে প্রকৃতিরও একটু সাহায্য পেয়েছিল অজিরা। দিনের প্রথম সেশনের পুরোটা ভেসে যায় বৃষ্টিতে।দ্বিতীয় সেশনে খেলা শুরু হওয়ার পর ব্যাট হাতে প্রতিরোধই গড়ে তোলেন ট্রাভিস হেড ও স্কট বোল্যান্ড। ৮৭ রানে অপরাজিত থেকে নামা হেড পেয়ে যান সেঞ্চুরি। তবে ১২১ রানে পৌঁছানোর পর উইয়ান মুল্ডারের বলে আর টিকতে পারেননি, হন বোল্ড।চোটের কারণে ৭ নম্বরে নামা স্টিভ স্মিথও থিতু হতে পারেননি। ৩ রান করে ক্যাচ দেন কাগিসো রাবাদার বলে। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা স্কট বোল্যান্ড ১৬৬ বলে ৪০ রান করে ফিরলে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস হার হয়ে ওঠে সময়ের ব্যাপার। আর সেটাই হয়েছে মার্কো ইয়ানসেনের বলে জশ হ্যাজলউডের বোল্ডে।সিরিজনির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ২৭ অক্টোবর কেপটাউনে।এবার তাহলে থেমেই যাচ্ছেন অ্যান্ডারসন
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।