হোমপেজ লোড হচ্ছে…

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের কোনো ভবনে আগুনের ঘটনা ঘটলে কীভাবে বাঁচা যাবে, সেই উপায় দেখানো হল ফায়ার সার্ভিসের মহড়ায়।
বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটা থেকে ৩টা পর্যন্ত এ মহড়া চলে।
সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে চতুর্দশ তলায়, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর রয়েছে, সেখানে একটি ফগার মেশিনের মাধ্যমে ধোঁয়া সৃষ্টি করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
পরে সেখানকার কর্মীদের সিঁড়ির পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের মইয়ের (এক্সটেনশেন লেডার) মাধ্যমে জানালা দিয়ে কীভাবে নামানো যায়, তার মহড়া দেওয়া হয়।
তবে বাস্তবে আগুন লেগেছে মনে করে অন্যান্য ভবনে কর্মরত অনেক কর্মী সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের সামনে জড়ো হন। এতে করে প্রথমে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হলেও কিছুক্ষণের মধ্যই মহড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে।
সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবন থেকে নেমে আসা মোফাজ্জল হোসেন নামের একজন কর্মকর্তা কে বলেন, “১ নম্বর ভবনে ধোঁয়া দেখে দৌড়ে নেমে দেখি তাদের মহড়া, প্রথমে বুঝতে পারিনি। পরে আসলে বিষয়টা ভালো লেগেছে।”
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক মো. সালেহ উদ্দিন কে বলেন, “আমরা সচিবালয়ে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আধা ঘণ্টাব্যাপী আগুন লাগার পর নোভানো এবং ভেতরে অবস্থানরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদে বের করে নিয়ে আসার মহড়া দিচ্ছি।
“কোনো কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে যেন আটকে পড়ারা নিরাপদে অবতরণ করতে পারে, সেই ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে।”
গত ১৩ অক্টোবর সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগের আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হন সেখানকার কর্মীরা।
এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের আগুন লেগে চারটি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
“আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে”, বলেন তিনি।
শাহজালাল বিমানবন্দরে গত বুধবার বিকালে দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন ওই দুই জন।
যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে যথাসময়ে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ছাড়তে পারেনি।
কমলাপুর রেলস্টেশনে কুলির কাজ করে রাসেল নামের ১৩ বছর বয়সী এই শিশু।