হোমপেজ লোড হচ্ছে…
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চলমান সিরিজে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে এই প্রযুক্তি।
খেলা ডেস্ক

ক্রিকেট মাঠে ব্যাটে বল লেগেছে কি না, তা নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অনেক সময় বিতর্ক তৈরি হয়। নানা ধরনের প্রযুক্তি সেই বিতর্ক কমালেও সমাপ্তি টানতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটে আসছে নতুন আরেক প্রযুক্তি—সনিক। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চলমান সিরিজে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে এই প্রযুক্তি। শব্দ বিশ্লেষণ করে ব্যাটে বল লাগার বিষয়টি বুঝতে তৃতীয় আম্পায়ারকে সাহায্য করবে সনিক।নতুন এই প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে নিউজিল্যান্ডে। এর পরীক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাই এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে আলোচনা করে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং তাতে সহায়তা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।আজ ভারত ও নিউজিল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের টি–টুয়েন্টি সিরিজ শুরু হয়েছেআজ ভারত ও নিউজিল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের টি–টুয়েন্টি সিরিজ শুরু হয়েছে। এরপর হবে পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট। এই সিরিজেই প্রথমবারের মতো সনিক ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।কীভাবে কাজ করবে সনিক?ব্যাটে বল লাগলে যে শব্দ উৎপন্ন হয়, তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সংযোগ শনাক্ত করবে সনিক। বিশেষ করে বল ব্যাটে লেগে উইকেটকিপার বা ফিল্ডারের হাতে যাওয়ার আগে আম্পায়ারের চোখে ধরা না পড়লে, সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় প্রযুক্তিটি কাজে আসবে।ডিআরএসের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার সময় সনিকের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া তথ্য বিবেচনা করতে পারবেন তৃতীয় আম্পায়ার। তবে প্রযুক্তিটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়; বরং সিদ্ধান্ত নিতে বাড়তি তথ্য দিয়ে তাঁকে সহায়তা করবে।সনিক যুক্ত হচ্ছে ভার্চ্যুয়াল আইয়ের সরবরাহ করা ডিআরএস ব্যবস্থাতেই। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির জন্য ২০০৮ সালে আইসিসির স্বীকৃতি পেয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।তবে আপাতত শুধু ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজেই প্রযুক্তিটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে সনিক ব্যবহার করতে নতুন করে আইসিসির অনুমোদন নিতে হবে।হৃদয় বললেন, ট্রফি জয়ের কথা শুধু মুখেই বলি, কাজে প্রতিফলন নেই
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।