হোমপেজ লোড হচ্ছে…
শান রাজ্যের পাহাড়ি কারখানা থেকে শুরু করে নাফ নদী ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চোরাগলি পেরিয়ে কীভাবে বাংলাদেশে ঢুকছে ইয়াবা?
এ টি এম জিয়াউল হাসান

টেকনাফের নাফ নদী দিয়ে তো বটেই, কুমিল্লা, সিলেট, বেনাপোল থেকে সাতক্ষীরার অরক্ষিত সীমান্ত পেরিয়ে যে ইয়াবা প্রতিদিন আমাদের তরুণদের হাতে পৌঁছায়, তার শিকড় মিয়ানমারের শান রাজ্যের দুর্গম পাহাড়ের কারখানা। এই মাদক নিছক অপরাধ নয়; মূলত সাত দশক ধরে মিয়ানমারে মাদকই যুদ্ধের মুদ্রা, অস্ত্র কেনার টাকা এবং ক্ষমতার শক্তি। সেই ইতিহাস না বুঝলে বাংলাদেশের সীমান্তে দানা বাঁধা হুমকির গভীরতা বোঝা যাবে না।
গল্পের শুরু ১৯৪৯ সালে। চীনে কমিউনিস্টদের বিজয়ের পর কুওমিনতাং বাহিনীর অবশিষ্টাংশ আশ্রয় নেয় বার্মার শান রাজ্যে। যুদ্ধের খরচ জোগাতে তারা মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের মিলনস্থলের পাহাড়ি উপত্যকায় আফিম চাষ শুরু করে। এভাবেই জন্ম নেয় ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল’, যা চার দশক বিশ্বে আফিম ও হেরোইনের প্রধান উৎস ছিল। ষাটের দশকে রেঙ্গুনের সামরিক সরকার বিদ্রোহ দমনে ‘কা কোয়ে ইয়ে’ মিলিশিয়া গড়ে তোলে এবং তাদের সরকারি সড়ক ব্যবহার করে অবাধ ব্যবসার সুযোগ দেয়, যা বাস্তবে ছিল মাদক ব্যবসা। এখান থেকেই উঠে আসেন ‘হেরোইনের গডফাদার’ লো সিং হান, যিনি পরে জান্তার আমলে শিল্পপতি হন; এবং খুন সা, যিনি ১৯৯৬ সালে আত্মসমর্পণ করে আমৃত্যু ইয়াঙ্গুনে নিরাপদে কাটিয়েছেন। মিয়ানমারের মূল নকশা এটাই: রাষ্ট্র মাদকসম্রাটদের ধ্বংস করে না, নিজের দলে টেনে নেয়। ইয়াবা কারবারি আবদুর রহমান বদির চেয়ে সাম্প্রতিক উদাহরণ আর নেই—যিনি ছিলেন একাধারে মাদকসম্রাট এবং সংসদ সদস্য।
১৯৮৯ সালে বার্মার কমিউনিস্ট পার্টি ভেঙে জন্ম নেয় ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মি, কোকাংয়ের এমএনডিএএ (MNDAA) এবং মংলার এনডিএএ (NDAA)। সামরিক গোয়েন্দাপ্রধান খিন নিয়ুন্ত তাদের যুদ্ধবিরতি ও কার্যত স্বায়ত্তশাসন দেন। আফিমের উৎপাদন বন্ধ করার আন্তর্জাতিক চাপে নব্বইয়ের দশকের শেষে শুরু হয় মেথামফেটামিন বড়ির যুগ, যা সস্তা, সহজে তৈরি এবং ফসলনির্ভর নয়। বাংলাদেশে জব্দ ইয়াবায় যে ‘ডব্লিউওয়াই’ ও ‘আর’ ছাপ দেখা যায়, সেগুলো ওয়া উৎপাদিত পণ্যেরই ব্র্যান্ড।
উৎপাদনের কেন্দ্র আজও শান রাজ্য, যেখানে যুদ্ধবিরতিভুক্ত জাতিগত বাহিনী, সেনা-সমর্থিত মিলিশিয়া ও বর্ডার গার্ড ফোর্স এবং চীনা নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট মিলে কারখানাগুলো চালায়। ক্রাইসিস গ্রুপ দেখিয়েছে, মিলিশিয়া এলাকায় পুলিশি অভিযান সেনাবাহিনীর মাধ্যমে পরিচালনা করতে হয় এবং লক্ষ্যবস্তুরা প্রায়ই আগাম খবর পেয়ে যায়। ২০২০ সালে উত্তর শানের কুতকাইয়ে সেনা-সমর্থিত কাউংখা মিলিশিয়ার এলাকায় এশিয়ার বৃহত্তম অভিযানে ১৯ কোটি ৩০ লাখ বড়ি জব্দ হয়। ইয়াবার কাঁচামাল আসে বাইরে থেকে, প্রধানত চীন থেকে।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থান ও গৃহযুদ্ধ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের অবশিষ্টটুকুও ভেঙে দেয়। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, শানে উৎপাদন তখন থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে; পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মেথ জব্দ ২০২৪ সালে রেকর্ড ২৩৬ টন এবং ২০২৫ সালে ৩৪৯ টনে পৌঁছেছে। আফিম চাষও ২০২৫ সালে ১৭ শতাংশ বেড়ে দশ বছরের সর্বোচ্চে দাঁড়িয়েছে।
<div class="paragraphs"><p>শান রাজ্যের পাহাড়ি কারখানা থেকে শুরু করে নাফ নদী এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য ঘুরে বাংলাদেশে পৌঁছায় ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক।</p></div> শান থেকে মাদক ছড়ায় তিন দিকে। পূর্ব ও দক্ষিণে থাইল্যান্ড, লাওস ও কম্বোডিয়া হয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান পর্যন্ত। পশ্চিমে রাখাইনের মংডু থেকে নাফ নদী পেরিয়ে টেকনাফ-উখিয়া, কক্সবাজার উপকূল এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, আলীকদম ও থানচির পাহাড়ি পথে বাংলাদেশে। আর উত্তর-পশ্চিমে চিন রাজ্য হয়ে ভারতের মিজোরাম ও মণিপুরে—যে পথটি এখন ঘুরে বাংলাদেশেরই পূর্ব ও উত্তর সীমান্তে এসে মিশছে।
এখানেই ভারতের ভূমিকা সঠিকভাবে বোঝা জরুরি। প্রথমত, ভারত মিয়ানমারের কারখানায় কাঁচামালের দ্বিতীয় প্রধান জোগানদার বলে মনে কথিত রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মিজোরামের আইজল ও চম্পাইয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযোগ করে, মিয়ানমারভিত্তিক চক্র ভুয়া জিএসটি নিবন্ধন দিয়ে ভারতীয় সরবরাহকারীদের কাছ থেকে সিউডোএফিড্রিন ও ক্যাফেইন কিনছিল; চম্পাইয়ের এক হুন্ডি কারবারির হিসাবে প্রায় ৫২ কোটি ৮০ লাখ রুপি লেনদেন ধরা পড়ে। অর্থাৎ ভারতীয় রাসায়নিকে তৈরি বড়িই ফিরে আসছে আমাদের বাজারে।
দ্বিতীয়ত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এখন ইয়াবার বিকল্প করিডোর। ২০১৮ সালেই দেখা যায়, মিয়ানমারের ইয়াবা মিজোরাম হয়ে আসাম ও মেঘালয় পেরিয়ে সিলেটের জকিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে। ২০২১ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভারতের নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোকে জানায়, কোচবিহার ও উত্তর ২৪ পরগনায় সীমান্তের কাছে অন্তত তিনটি ইয়াবা তৈরির কারখানার তথ্য তাদের কাছে আছে, যেখানে মিয়ানমার থেকে আনা কাঁচামাল দিয়ে বড়ি বানানো হয়। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আসামের হাইলাকান্দি ও ত্রিপুরার খোয়াই-পানিসাগরে আসাম রাইফেলস ও অন্যান্য সংস্থা প্রায় ৪২৫ কোটি রুপির মেথ বড়ি জব্দ করে; কর্মকর্তাদের ধারণা, মিজোরাম হয়ে আসা এই চালানের গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ। কুমিল্লার অন্তত ৪৭টি পয়েন্ট এবং লালমনিরহাট, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়েও ইয়াবা ঢোকার খবর মিলছে; এ মাসেই সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবি আধা কেজি আইস জব্দ করেছে।
তৃতীয়ত, ইয়াবার বাইরের মাদকে ভারতই প্রধান উৎস। মাদক অধিদপ্তরের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের সঙ্গে ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার সীমান্তসহ ১৮ জেলার অন্তত ১০৫টি পয়েন্ট মাদক পাচারে ব্যবহৃত হচ্ছে, এবং গাঁজা ও ফেনসিডিল আসে মূলত ভারত থেকে। টাপেন্টাডল, বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন ও হেরোইনও এই পথে আসছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, উত্তর প্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে কয়েকটি মেথ কারখানা ধরা পড়লেও সেগুলো ভারতের দেশীয় ও অন্য আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য। বাংলাদেশের ইয়াবা ও আইসের মূল উৎস মিয়ানমারই। এ ক্ষেত্রে এটি প্রায় নিশ্চিত যে এসব ইয়াবা আর আইসের কাঁচামাল মিয়ানমার হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে প্রক্রিয়াজাতকরণ শেষে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সিলেট, সুনামগঞ্জ আর কুমিল্লার সীমান্ত দিয়ে।
পশ্চিমমুখী পথের কেন্দ্রে এখন আরাকান আর্মি। ২০০৯ সালে কাচিন রাজ্যে জন্ম নেওয়া এই বাহিনীর শুরু থেকেই শান-কাচিন মাদক করিডোরের সঙ্গে নৈকট্য ছিল। ২০২৫ সালে জান্তা কুতকাইয়ের কাউংখা মিলিশিয়াকে আরাকান আর্মির কৌশলগত অংশীদার বলে দাবি করে, যদিও এ ধরনের অভিযোগের উৎস নিজেই মাদক মিলিশিয়ার পৃষ্ঠপোষক জান্তা। চিত্র বদলায় ২০২৪ সালের শেষে, যখন আরাকান আর্মি মংডু দখল করে বাংলাদেশের সঙ্গে পুরো ২৭১ কিলোমিটার সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ নেয়। বিজিবি প্রকাশ্যে বলেছে, আরাকান আর্মি সরাসরি ইয়াবা পাচারে জড়িত। ২০২৫ সালে দেশে ৪ কোটি ৩৫ লাখ বড়ি জব্দ হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৯১ শতাংশ বেশি। অবরুদ্ধ রাখাইনে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের দাম আংশিকভাবে মেটানো হচ্ছে ইয়াবা ও আইস দিয়ে; মাদক সেখানে বিকল্প মুদ্রা। আরাকান আর্মি উৎপাদক নয়, কিন্তু একমাত্র পারাপার পথের কর্তৃপক্ষ হিসেবে তারা এই প্রবাহে কর বসায়, অনুমতি দেয়, অংশ নেয়।
<div class="paragraphs"><p>কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীতে একটি নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ৭৫ হাজার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গাকে আটক করা হয় গত জানুয়ারি মাসে; যাদের মাদক পাচারকারী বলেছিল কোস্ট গার্ড। ফাইল ছবি</p></div> দশ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী এই ব্যবসা চালায় না, তারা এর শিকার। কিন্তু উখিয়া-টেকনাফের শিবিরে সক্রিয় ১১টি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাতের কেন্দ্রে মাদক, চাঁদাবাজি ও মানবপাচার। আরসা লড়েছে আরএসও ও নবী হোসেন বাহিনীর সঙ্গে; আরসাপ্রধান আতাউল্লাহ ২০২৫ সালের মার্চে গ্রেপ্তার হন। অথচ ২০১৭ সালের অনেক আগে থেকেই টেকনাফের স্থানীয় ‘ইয়াবা গডফাদাররা’ এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করত; ২০১৯ সালে তাদের ১০২ জন প্রকাশ্যে আত্মসমর্পণ করেছিল।
পার্বত্য চট্টগ্রামের যোগসূত্রটি মূলত অস্ত্রের। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মিজোরাম পুলিশ চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (সিএনএফ) এক নেতাসহ পাঁচজনকে ছয়টি একে-৪৭ ও দশ হাজারের বেশি গুলিসহ গ্রেপ্তার করে, যা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী সিএনএফ ও বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের ইউপিডিএফের লেনদেনের জন্য ছিল। কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) ক্ষেত্রে মাদকের টাকায় অস্ত্র কেনার অভিযোগ বেশি জোরালো; ২০২৪ সালের এপ্রিলে রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি তার অর্থ সরবরাহের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করেছে। একই পাহাড়ি পথ, একই অস্ত্রের হাট, একই হুন্ডি নেটওয়ার্কে মাদক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজি একে অপরকে পুষ্ট করছে।
বিগত সাত দশকের ইতিহাস এটাই দেখিয়েছে যে, মিয়ানমারে মাদক কখনো কেবল অপরাধ ছিল না; তা যুদ্ধ আর ক্ষমতার মুদ্রা। সেই অর্থনীতি এখন দুই দিক থেকে আমাদের ঘিরে ফেলছে: দক্ষিণ-পূর্বে একটি অরাষ্ট্রীয় বাহিনীর (আরাকান আর্মির) নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত, আর পূর্ব ও উত্তরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ঘুরে আসা বিকল্প পথ। মাদকের অভিশাপ থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে মোকাবিলাও তাই হতে হবে বহুস্তরের। আরাকান আর্মির সঙ্গে যদি রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়ার বিষয়টি আলোচিত হয়, তবে জ্বালানি-খাদ্য পাওয়ার বিনিময়ে মাদক প্রশ্নে সহযোগিতার শর্তে তাদের বাঁধতে হবে। নাফ মোহনা, বান্দরবানের পাহাড় এবং কুমিল্লা-সিলেটের কাঁটাতারবিহীন অংশে ড্রোন ও সেন্সরনির্ভর নজরদারি দরকার। ভারতের সঙ্গে মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে কাঁচামাল পাচার, সীমান্তঘেঁষা কারখানা ও ফেনসিডিলের প্রশ্ন সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ তুলতে হবে। আর সবচেয়ে বড় কথা, গডফাদার, হুন্ডি কারবারি ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নগদায়ন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক গোয়েন্দা তৎপরতাই হবে মূল অস্ত্র। আশঙ্কা হয়—বাংলাদেশে নতুনভাবে চালু হওয়া ‘বাংলা কিউ আর কোড’ যদি এক সহজ এবং নিয়ন্ত্রণহীন বাহক হিসেবে কাজ করে, তাহলে কি হবে? এই লেনদেন যেন আবার বাংলাদেশের জন্য এক নতুন সংকট হয়ে না পড়ে। তবে আর্থিক লেনদেন ধরেই ক্ষান্ত হওয়া নয়, বরং টাকার উৎসকে নির্মূল করেই এই যুদ্ধে বাংলাদেশকে জিততে হবে। প্রয়োজন হলে মাদকবিরোধী নিরাপত্তা ও বিচার কাঠামো তৈরি করা খুবই জরুরি।
এ টি এম জিয়াউল হাসান: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, আর সি ডি এস, পি এস সি (অব.)। ই-মেইল: zhasansohel241@gmail.com
“ঠিক আছে”, “করো”, “আমার রিপোর্টার তো কনফার্ম করে নাই” এবং “কয়টা পয়সার জন্য খবরটা দিলা না?”—তৌফিক ইমরোজ খালিদীর এই চার বাক্যে কীভাবে সাংবাদিকতার নীতি শিখেছিলেন জিয়াদ মুবাশ্বির ইসলাম?
মন্ত্রিত্ব ও সংসদ সদস্য পদ থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত থাকলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক সংকট এখনও পিছু ছাড়েনি।
শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ, অভিবাসী বিদ্বেষ এবং ধর্মীয় উগ্রতার সংমিশ্রণে আমেরিকা কি একটি চরমপন্থী রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে? নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ আসেমোগলুর পূর্বাভাস ও মার্কিন রাজনৈতিক বাস্তবতার পর্যালোচনা।
ঢাকা-সিলেট রেলপথ সংস্কার থেকে শুরু করে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রবাসী মূলধন যুক্ত করার এখনই উপযুক্ত সময়।