হোমপেজ লোড হচ্ছে…
চমৎকার বোলিংয়ে আফগানিস্তানের ইনিংস বড় করতে দেননি আল আমিন হোসেন, তবুও ব্যাটিং বিপর্যয়ে জিততে পারল না বাংলাদেশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক

তুলনামূলক সহজ লক্ষ্যে বেশ ভালোভাবেই জয়ের পথে ছিল বাংলাদেশ। এরপরই, হুট করে নামল ধস। ১৫ বলের ঝড়ে কোনো রান যোগ না করেই ফিরে গেলেন চার ব্যাটসম্যান। আর ঘুরে দাঁড়াতে পারল না বাংলাদেশ। বৃথা গেল আল আমিন হোসেনের বোলিং নৈপুণ্য।
ওমান ক্রিকেট একাডেমি মাঠে বুধবার যুব ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪৩ রানে হারায় আফগানিস্তান। ২৩৮ রানের লক্ষ্যে একপর্যায়ে ২ উইকেটে ১৫৭ থেকে শেষ পর্যন্ত ১৯৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
চার ম্যাচ সিরিজে এখন ১-১ সমতা। শেষ ওয়ানডেতেই ফয়সালা হবে ট্রফির। দ্বিতীয় ম্যাচটা হয় টাই।
চমৎকার বোলিংয়ে ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন আল আমিন হোসেন। যুব ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নেওয়া বাংলাদেশের তৃতীয় পেসার আল আমিন।
প্রথম দুই ম্যাচে দারুণ খেলা রুবাই ইসলাম রিজনকে বাইরে রেখে এদিন খেলতে নামে বাংলাদেশ। বোলিংয়ে তার অভাব বুঝতে দেননি আল আমিন। তবে ব্যাট হাতে শেষ দিকে দায়িত্ব নিতে পারেননি কেউ।
রান তাড়ায় শুরুতেই এসকে জারিফ সিয়ামের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলের ওপর সেই চাপ পড়তে দেননি আবদুল্লাহ আল মুহি ও কাওসার আহমেদ। পাল্টা আক্রমণে দ্রুত রান করতে থাকেন মুহি। তাকে যথাযথ সঙ্গ দেন কাওসার।
দ্বিতীয় উইকেটে ১১২ বলে ১০৭ রান যোগ করেন তারা দুজন। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৫৬ বলে ৬১ রান করা মুহির বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। আগের ম্যাচেও ফিফটি করেন যুব দলের এই ওপেনার।
পরে আল আমিন হোসেন রনিকে নিয়ে লক্ষ্যে এগোতে থাকেন কাওসার। এই জুটিতে আসে ৪৪ রান। ২৭তম ওভারে সোহাইল খানের বলে ক্যাচ আউট হন ৬৪ রান করা কাওসার। সেখান থেকেই নামে ধস।
১৫ বলের মধ্যে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান রনি, রাকিবুল হাসান ও অধিনায়ক ফরিদ হাসান। ২ উইকেটে ১৫৭ থেকে ৬ উইকেটে ১৫৭ রানের দলে পরিণত হয় বাংলাদেশ।
এরপর আর হাল ধরতে পারেননি কেউ। ৮ নম্বরে নামা রবিউল হাসান অনিকের ২৬ বলে ১৬ রানে হারের ব্যবধানই কেবল কমে।
আফগানিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ইমরান মোহাম্মাদি।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামা আফগানিস্তান ইনিংসে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা দেন আল আমিন। পরে বাঁহাতি স্পিনার আল রাফিও উইকেট শিকারে যোগ দিলে ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন সুবহান জাখাইল ও শাহ ফয়সাল রাহিমি। তবে রানের গতি বাড়ানোর কাজ করতে পারেননি তারা। ৩৬তম ওভারে নতুন স্পেলে ফিরে ১৩২ বলে গড়া ১০৫ রানের জুটি ভাঙেন আল আমিন।
পাঁচ চার ও তিন ছক্কায় ৯৫ বলে ৮১ রান করে ফেরেন জাখাইল। রান আউটে কাটা পড়েন রাহিমি। তার ব্যাট থেকে আসে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ১১১ বলে ৮০ রান।
শেষ দিকে অধিনায়ক সোহাইল খান ৩২ বলে ২৪ রান করলে আড়াইশর কাছে যায় আফগানিস্তান। শেষ পর্যন্ত সেটিই জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
একই মাঠে শুক্রবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে দুই দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯: ৫০ ওভারে ২৩৭ (নাদারজান ১৫, ইহসাস ৬, জাখাইল ৮১, সালারজাই ২, রাহিমি ৮০, আমির হামজা ২, সারওয়ারি ৪, সোহাইল ২৪, বারাকজাই ৫, ইমরান ৩*, লুতফুল্লাহ ৩; সিজান ৯-০-৫৭-১, আল আমিন ১০-০-৬০-৬, সিয়াম ৯-১-২৫-০, রাফি ১০-১-২১-১, অনিক ৬-০-২৭-০, রাকিবুল ৪-০-২৩-০, সাদিক ২-০-২১-০)
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯: ৩৮.২ ওভারে ১৯৪ (মুহি ৬১, সিয়াম ০, কাওসার ৬৪, রনি ২৪, ফরিদ ০, রাকিবুল ০, সাদিক ৭, অনিক ১৬, রাফি ১, সিজান ৭, আল আমিন ০*; ইমরান ৯-২-৪৫-৩, হামজা ৩-০-২৩-০, সোহাইল ১০-১-৪৩-২, লুতফুল্লাহ ৯-৩-২৩-২, বারাকজাই ৪.২-০-৩৫-১, নাদারজান ২-০-১২-১, রাহিমি ১-০-৪-০)
ফল: আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৪৩ রানে জয়ী
সিরিজ: চার ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা
টানা চার জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মৌসুমের প্রথম ক্লাসিকোয় নামবে জুজে মরিনিয়োর দল।
টানা চার জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মৌসুমের প্রথম ক্লাসিকোয় নামবে জুজে মরিনিয়োর দল।
হ্যারি কেইনের নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়িয়েও জিততে পারল না বায়ার্ন মিউনিখ।
হ্যারি কেইনের নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়িয়েও জিততে পারল না বায়ার্ন মিউনিখ।