হোমপেজ লোড হচ্ছে…

শ্রীলঙ্কা তাদের উপকূলের কাছাকাছি আন্তর্জাতিক জলসীমা থাকা বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ৪০ জন ইরানি নাবিককে উদ্ধারের বিষয়টি সমন্বয় করে তাদের ইরানে ফিরে যেতে সহায়তা করেছে বলে দ্বীপ রাষ্ট্রটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
রোববার শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তুষারা রদ্রিগো জানিয়েছেন, তাদের মন্ত্রণালয় নাবিকদের উদ্ধারের জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ইরানি দূতাবাস থেকে একটি অনুরোধ পেয়েছিল। ওই নাবিকরা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি এমন জরুরি স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছিলেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, কেন তাদের উদ্ধার করা হয়েছিল, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়টি বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি।
কিন্তু স্থানীয় ও ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তারা এমন সব জাহাজে ছিলেন যেগুল যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাভু্ক্ত তেলবাহী ট্যঙ্কার।
ইরানের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধের অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
মুখপাত্র তুষারা জানান, ১৯টি জাহাজ থেকে এসব নাবিককে উদ্ধার করে গল বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানে তাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। পরে রোববার ভোররাতে তাদের ইরানে পাঠানো হয়।
এই উদ্ধারের ঘটনাটি সরাসরি জানানে, শ্রীলঙ্কা সরকারের এমন একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সাধারণত মানবিক প্রচেষ্টার সময় সহায়তা প্রদান করে থাকে।
চলতি বছরের ৪ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের এক ডুবোজাহাজ থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস দেনা ডুবে গিয়েছিল। এতে জাহাজটির ১৩৬ জন নাবিকের মধ্যে শতাধিক প্রাণ হারান।
ওই সময় মানবিক কারণে জাহাজটির জীবিত ৩২ নাবিককে উদ্ধার করেছিল শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড। মার্চের মাঝামাঝি নিহত নাবিকদের মধ্যে অন্তত ৮০ জনকে ভারত মহাসাগর থেকে উদ্ধারের পর উড়োজাহাজযোগে দেশে পাঠায় শ্রীলঙ্কা। জীবিত ৩২ নাবিককে চিকিৎসার পর আরেকটি জাহাজ থেকে উদ্ধার করা ২০৮ জন নাবিকসহ এপ্রিলে ইরানের ফেরত পাঠানো হয়।
‘অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন’ সভাপতি উৎপল শর্মা জনগণকে শান্তিপূর্ণ, অহিংস এবং গণতান্ত্রিক উপায়ে ২৯ অক্টোবরে ডাকা এই প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
এক্সপো উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
সম্মাননা দিয়েছে ‘ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ অ্যালামনাই ইন অস্ট্রেলিয়া’।
এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের পর নেওয়া হচ্ছে। এই যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এশিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।