হোমপেজ লোড হচ্ছে…
চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে নীতিমালায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে নির্মাতা ওপেনএআই। এখন থেকে চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন–সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া যাবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে নীতিমালায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে নির্মাতা ওপেনএআই। এখন থেকে চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন–সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া যাবে। আজ বৃহস্পতিবার চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠানো এক ই–মেইলে এ বিষয়ে জানিয়েছে ওপেনএআই।‘ওপেনএআই টিম’–এর পাঠানো ই–মেইলে লেখা হয়েছে, ‘আমরা আমাদের প্রাইভেসি (ব্যক্তিগত গোপনীয়তা) পলিসি আপডেট করছি যাতে চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন–সংক্রান্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যায়, যার মধ্যে রয়েছে সেগুলো কীভাবে কাজ করে এবং আপনি কীভাবে আপনার অভিজ্ঞতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।’ফ্রি ও গো প্ল্যানের গ্রাহকেরা বিজ্ঞাপন দেখতে পারেন, এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে চ্যাটজিপিটির প্লাস, প্রো, এন্টারপ্রাইজ ও শিক্ষা সংস্করণগুলোয় (প্ল্যান) কোনো বিজ্ঞাপন থাকবে না।ই–মেইলে বলা হয়েছে, ‘বিজ্ঞাপনগুলো চ্যাটজিপিটির দেওয়া উত্তরগুলোকে প্রভাবিত করে না। আপনি যখন কোনো বিজ্ঞাপন দেখবেন, সেটি সব সময় স্পনসর করা বিজ্ঞাপন হিসেবে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত থাকবে এবং অর্গানিক উত্তর থেকে দৃশ্যত আলাদা থাকবে। আপনি এমন তথ্য ব্যবহার করে প্রাসঙ্গিক ও পার্সোনালাইজড বিজ্ঞাপন পাবেন যা কেবল চ্যাটজিপিটিতেই থাকে। যেমন আপনি যেসব বিজ্ঞাপন সাড়া দিয়েছেন বা আপনার চ্যাটের পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। আপনি সেটিংস থেকে যেকোনো সময় বিজ্ঞাপনের ব্যক্তিগতকরণ পরিচালনা করতে পারেন।’ব্যক্তিগত বিবরণ ও চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথন ব্যক্তিগত এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয় না বলে ই–মেইলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার চ্যাট, চ্যাটের ইতিহাস, মেমোরি বা ব্যক্তিগত বিবরণে ঢুকতে পারবেন না। বিজ্ঞাপনদাতারা শুধু তাদের বিজ্ঞাপন কীভাবে কাজ করছে সে সম্পর্কে সামগ্রিক তথ্য পাবেন। যেমন মোট ভিউ বা ক্লিক। চ্যাটজিপিটিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় থাকবে বলেও ই–মেইলে দাবি করা হয়েছে।
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।