হোমপেজ লোড হচ্ছে…

মার্কিন কোম্পানি ওপেনএআইয়ের শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলের ডেটা ব্যবহার করে নিজেদের নতুন এআই প্রযুক্তি তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে চীনের দুই শীর্ষ কোম্পানি ডিপসিক ও মুনশটের বিরুদ্ধে।
এ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে বুধবার প্রকাশ পাওয়া এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইনফরমেশন।
‘ডিস্টিলেশন’ নামের এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চীনা প্রতিযোগী কোম্পানি দুটি দ্রুত ও কম খরচে বিশ্বমানের এআই সক্ষমতা অনুকরণ করেছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইনফরমেশন লিখেছে, ওপেনএআইয়ের শক্তিশালী ‘জিপিটি-সিক্স অ্যাস্ট্রা’ মডেলের আউটপুটের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করেছে ডিপসিক ও মুনশট।
রয়টার্স লিখেছে, বর্তমানে ‘ডিস্টিলেশন’ পদ্ধতিটি শীর্ষস্থানীয় এআই কোম্পানিগুলোর জন্য সংবেদনশীল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে মার্কিন কোম্পানিগুলোর যুক্তি, এ পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা উন্নত সক্ষমতাগুলোকে আরও দ্রুত ও কম খরচে হুবহু নকল করে ফেলছে।
ইনফরমেশনের প্রতিবেদন বরছে, গেল সপ্তাহে বাজারে আসা মুনশট এআইয়ের ‘কিমি কে৩.১ প্রো’ ও ১৭ অক্টোবর উন্মোচিত ডিপসিকের আপগ্রেড ‘ভি৪.১-ফ্ল্যাশ ১০১৭’ মডেল দুটিই ওপেনএআইয়ের অ্যাস্ট্রা মডেলের ডেটা ডিস্টিলেশন থেকে সুবিধা পেয়েছে।
এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি ওপেনএআই, ডিপসিক ও মুনশট এআই।
এর আগে, ৩০ সেপ্টেম্বর ওপেনএআই বলেছিল, জুলাই থেকে শুরু হওয়া সমন্বিত এক ডিস্টিলেশন ক্যাম্পেইনের মূল অংশের সঙ্গে মুনশট এআই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সরাসরি সংযোগ তারা খুঁজে পেয়েছে।
অ্যানথ্রপিক, ওপেনএআই ও গুগলের মতো প্রভাবশালী মার্কিন এআই ও প্রযুক্তি কোম্পানির অভিযোগ, ডিস্টিলেশন চর্চার কারণে প্রতিদ্বন্দ্বীরা কম খরচ ও সময়ে তাদের বছরের পর বছর ধরে বিকশিত উন্নত এআই প্রযুক্তি অনুলিপি করে ফেলছে।
এ মাসের শুরুতে অ্যানথ্রপিক বলেছে, প্রতিদ্বন্দ্বীরা যাতে তাদের ‘ক্লড’ এআই মডেলের সক্ষমতা চুরি বা অনুকরণ করতে না পারে সেজন্য নতুন কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে তারা।
এতে করে ‘ডিস্টিলেশন অ্যাটাক’-এর মাধ্যমে সংগৃহীত ডেটার পরিমাণ প্রায় ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
এ ইয়ারবাডসে একবার পূর্ণ চার্জে টানা ৯.৫ ঘণ্টা মিউজিক প্লেব্যাক সুবিধা পাওয়া যাবে। চার্জিং কেসসহ এই ব্যাটারি লাইফ পৌঁছাবে প্রায় ৩৮ ঘণ্টায়।
২০২৫ সালে তিনি সপ্তাহে গড়ে দেড় হাজারেরও বেশি বার্তা আদান প্রদান করেছেন চ্যাট্রিবিটির সঙ্গে। মা-বাবার সঙ্গেও এত কথা তিনি বলতেন না।
২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত চারটি কক্ষপথ মিশন পরিচালনা করেছে এই চীনা মহাকাশযান, যার সর্বশেষটি উৎক্ষেপন হয়েছে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে।
এ তথ্য ফাঁসের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রতি সাত জনে এক জন কর্মীর ব্যক্তিগত বিবরণ প্রকাশ্যে চলে এসেছে।