হোমপেজ লোড হচ্ছে…
সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা হলেন ভারতের রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষ নেতা আর দীপকে দলটির প্রধান নেতা।
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশতোষ রাঙ্কাকে নিজের চেয়ে ‘অনেক বড় নেতা’ বলে অভিহিত করেছেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
বুধবার ভারতের বিশেষ নির্বাহী হাকিম আদালত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকা সৌরভ ও আশুতোষকে মুক্তির নির্দেশ দেন। তবে এজন্য তাদের ৫০ হাজার রুপি করে ব্যক্তিগত বন্ড ও জামানত বন্ড জমা দিতে হয়। এরপর ওই দিন রাতে দিল্লির তিহার কারাগার থেকে মুক্তি পান তারা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আদালতে দেওয়া মুচলেকায় সৌরভ ও আশুতোষ বলেছেন, দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকাটি যতক্ষণ পর্যন্ত ‘অনুমোদিত সমাবেশের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া’ অবস্থায় থাকবে, সেই পর্যন্ত তারা সেখানে কোনো ধরনের ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না’ বা ‘কোনো ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেবেন না’।
তাদের মুক্তির নির্দেশ জানার পর সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে লেখেন, “সৌরভ আর আশু আমার চেয়ে কেবল ভালোই নয় বরং আমার চেয়ে অনেক অনেক বড় নেতা। আমার নেতারা, আপনাদের নির্দেশ মেনে চলতে আমি আনন্দিত। আমার জীবন আপনাদের সেবায় উৎসর্গীকৃত! তবে এখন থেকে আমাকে ছাড়া আর কেউ বাগানে একা হাঁটবেন না!!!”
দীপকে সামাজিক মাধ্যমে সৌরভ ও আশুতোষের একটি ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার নেতারা’।
সৌরভ ও আশুতোষের মুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সিজেপি। ১৩ই অক্টোবর সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং পুলিশের ব্যারিকেড টপকে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অভিযোগে দিল্লি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছিল। সাত দিন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিজার জেলে থাকার পর ২১ অক্টোবর মুক্তি পান তারা।
বিশাল বিশাল বোল্ডার পথরোধ করে দাঁড়িয়ে আছে, এগুলো অপসারণের জন্য বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রয়োজন হবে।
অং সান সু চির ছেলে কিম অ্যারিস লন্ডনে মিয়ানমার দূতাবাসের মাধ্যমে টেলিফোনে মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সমর্থিত প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র।
পরিবারের সদস্যদের মুখে দু’বেলা খাবার তুলে দেওয়াই সাদেকের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থাভাবে প্রায়ই না খেয়ে ঘুমাতে যেতে হয় তার সন্তানদের।