হোমপেজ লোড হচ্ছে…
আইসিইউতে নেওয়া হলেও তাকে ফেরানো যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক

হৃদরোগসহ শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন কবি ও সাংবাদিক রথো রাফি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৫২।
রথো রাফির ভাই এহতেশাম কে বলেন, তিন দিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তাকে লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল।
রথো রাফির মরদেহ জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় নেওয়া হবে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফনের কথা রয়েছে।
রথো রাফির জন্ম ১৯৭৫ সালের ৩১ মার্চ। সমকাল ও ভোরের কাগজে কাজ করেছেন তিনি। পরিচিত ছিলেন কবি হিসেবেই।
২০২০ সালে বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অক্ষর ও বালির পৃথিবী’। ‘বারোমাস্যা’ ও ‘হৃদয়ের অনুবাদ’ কাব্যগ্রন্থের রচিয়তাও তিনি।
কাব্যচর্চার পাশাপাশি অনুবাদ সাহিত্যেও তার পরিচিতি রয়েছে।
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।