হোমপেজ লোড হচ্ছে…
ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকার বৃত্তি কর্মসূচি চালু করেছে, যেখানে প্রতিবছর ৫০ জন পাবেন চার বছরের বৃত্তি।
তথ্যসূত্র:

কানাডায় পিএইচডি পর্যায়ে মেধাবী গবেষকদের আকৃষ্ট করতে ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকার (১০ কোটি কানাডীয় ডলার) বৃত্তি কর্মসূচি চালু করছে ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো। ‘প্রেসিডেন্টস ইমপ্যাক্ট স্কলারশিপ প্রোগ্রাম’ নামের এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর ৫০ গবেষককে চার বছর মেয়াদে বৃত্তি দেওয়া হবে।বিশ্ববিদ্যালয়টির তথ্য অনুযায়ী, এ কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী বছরে ৬৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা (৮০ হাজার কানাডীয় ডলার) করে পাবেন। চার বছরে একজন শিক্ষার্থীর জন্য মোট বরাদ্দ প্রায় ২ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার টাকা (৩ লাখ ২০ হাজার কানাডীয় ডলার)।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় বিনা মূল্যের অনলাইন কোর্স, যেভাবে আবেদনবিশ্ববিদ্যালয়টি জানিয়েছে, কানাডার একটি পারিবারিক ফাউন্ডেশন এ কর্মসূচির জন্য পাঁচ কোটি কানাডীয় ডলার অনুদান দিয়েছে। উচ্চশিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা দিয়ে আসছে ফাউন্ডেশনটি। অনুদানের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও সমপরিমাণ অর্থের তহবিল গঠন করেছে। এতে কর্মসূচিটির মোট তহবিল দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি কানাডীয় ডলার।বিশ্ববিদ্যালয়টির দাবি, কানাডায় এ ধরনের বৃত্তি কর্মসূচির মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৃত্তি কর্মসূচির সঙ্গে এর তুলনা করা যায়।কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো পিএইচডি গবেষকদের জন্য ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকার বৃত্তি চালু করেছে, যা ৫০ জন পাবেন।ইউজিসি গবেষণায় দেবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান, আবেদন করবেন যেভাবে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ কর্মসূচির আওতায় নতুন শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া শুরু হবে। প্রতিবছর ১২ থেকে ১৩ জন নতুন শিক্ষার্থী চার বছর মেয়াদে এ বৃত্তি পাবেন। কর্মসূচির চতুর্থ বছর শুরুর সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০–এ পৌঁছাবে। এরপরও প্রতিবছর ৫০ শিক্ষার্থীর জন্য বৃত্তি চালু থাকবে।মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ, মিলবে টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার ভাতা
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।