হোমপেজ লোড হচ্ছে…

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ৮৪ হাজার প্রদীপ জ্বালানো ও ফানুস ওড়ানো হয়।
রোববার বর্ষাবাস শেষে এ উৎসব উদযাপন করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।
এ উপলক্ষে উপজেলার ধর্মপুর আর্য বনবিহার, পানছড়ি অরণ্য কুটিরসহ বিভিন্ন বিহারে ভিড় করেন পুণ্যার্থীরা। এ সময় বুদ্ধমূর্তি দান, ভিক্ষুদের খাবার দেওয়া ও প্রদীপ জ্বালানোসহ নানা ধর্মীয় আচার পালন করা হয়।
সকাল থেকেই বিহারগুলোতে ফুল দেওয়া, দান-দক্ষিণা, ধর্মীয় আলোচনা ও প্রার্থনা চলে। এ সময় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চান। পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও সব প্রাণীর মঙ্গল কামনা করেন।
ধর্মপুর আর্য বনবিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভদ্দজী মহাস্থবির ধর্মীয় আলোচনা করেন। এ ছাড়া শ্রীমৎ দীপানন্দ স্থবিরসহ অন্য ভিক্ষুরাও ধর্মীয় আলোচনা করেন।
বিহারটির সাধারণ সম্পাদক পূর্ণেন্দু বিকাশ দেওয়ান বলেন, তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করা হয়। এ সময় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা অতীতের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। প্রবারণা পূর্ণিমার পর বিভিন্ন বিহারে শুরু হবে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব।
উৎসবে অংশ নেওয়া আকাশী চাকমা বলেন, দান ও প্রার্থনার মাধ্যমে তারা সব প্রাণীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
এদিকে, উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে পুলিশ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মো. কায় কিসলু বলেন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।
প্রবারণা পূর্ণিমার মধ্য দিয়ে তিন মাসের বর্ষাবাস শেষ হয়। এরপর বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে শুরু হয় কঠিন চীবর দান উৎসব।
এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেছেন, শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও উপাচার্য পদে অধ্যাপক সায়েমকে ফেরানোর আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
মন্ত্রী পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া কাঞ্চনপার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।
আমঝোল সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে গোতামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোনাব্বেরুল হক মোনা জানান।