হোমপেজ লোড হচ্ছে…

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার এক স্কুল শিক্ষিকার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুইজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। একই মামলায় জমিন পেয়েছেন অন্য দুই আসামি।
মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাহাবুর রহমান এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী রেজওয়ান সরকার।
কারাগারে যাওয়ারা হলেন- রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম (৪০) এবং একই ইউনিয়নের চক নারয়ন গ্রামের আলমগীর আকন্দের ছেলে মো. সালেহীন আকন্দ (২৪)।
জামিন পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন- একই এলাকার শ্রী প্রদীপ কুমার এবং রবিউল আকন্দ।
স্কুল শিক্ষিকার করা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ চার আসামি এদিন সকালে আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে অপর দুই আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।
আইনজীবী রেজওয়ান সরকার বলেন, সম্প্রতি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।
এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, এর আগে ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুইজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেছিলেন ওই শিক্ষিকা। ওই মামলার পর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, সালেহীন আকন্দ ভুক্তভোগী নারীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন; যার সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম জড়িত।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, ‘কালু বাহিনী’ ও ‘কাকন বাহিনী’র মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল পুলিশ।
সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিজয়নগর থানার ওসি।
হামলায় কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।