হোমপেজ লোড হচ্ছে…
ত্রিদেশীয় সিরিজ: বাংলাদেশ-আফগানিস্তান
অনীক মিশকাত

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ: ১৬০
আফগানিস্তান: ৮ ওভারে ৪২/২
আটালকে দ্রুত ফেরালেন তাসকিন
আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সেদিকউল্লাহ আটালকে টিকতে দিলেন না তাসকিন আহমেদ। চমৎকার ডেলিভারিতে বাঁহাতি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে দিলেন তিনি।
আগের বলে দারুণ শটে বাউন্ডারি পান আটাল। পরের বল স্টাম্পে রাখেন তাসকিন। ভুল লাইনে খেলায় নাগাল পাননি ব্যাটসম্যান। ছোবল দেয় অফ স্টাম্পে।
১৩ বলে এক চারে ৪ রান করেন আটাল।
৭ ওভারে আফগানিস্তানের রান ২ উইকেটে ৩৯। ক্রিজে ইব্রাহিম জাদরানের সঙ্গী রেহমাত শাহ।
শুরুর জুটি ভাঙলেন তাসকিন
আগের বলে চমৎকার শটে চার মারলেন রাহমানউল্লাহ গুরবাজ। পরের বলে দারুণ ডেলিভারিতে তাকে বোল্ড করে দিলেন তাসকিন আহমেদ।
ওভারের দ্বিতীয় বলে একই চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তাসকিন। লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে আরও বেরিয়ে গিয়ে হয়ে যায় বাউন্ডারি।
চতুর্থ বলে পয়েন্ট দিয়ে দারুণ শটে বাউন্ডারি পান গুরবাজ। পরের বলের লাইন মিস করে তিনি হন বোল্ড।
৮ বলে এক চারে ৬ রান করেন গুরবাজ।
৩ ওভারে আফগানিস্তানের রান ১ উইকেটে ২৬। ক্রিজে ইব্রাহিম জাদরানের সঙ্গী সেদিকউল্লাহ আটাল।
ফাইনালে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের কঠিন সমীকরণ
বাংলাদেশকে ১৬০ রানে গুটিয়ে দিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলেছে আফগানিস্তান।
এবার তাদেরকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারলে ফাইনালে উঠতে পারবে বাংলাদেশ। অন্যথায় আফগানিস্তান ১১৯ রানের বেশি করে ম্যাচ হারলেও লাভ হবে না বাংলাদেশের। সেক্ষেত্রে ফাইনালে উঠে যাবে জিম্বাবুয়ে।
১৬০ রানে শেষ বাংলাদেশ
পরপর দুই ওভারে দুটি উইকেট নিলেন রাশিদ খান। তাতে ১৬০ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস।
৪২তম ওভারের প্রথম বলে আলিস আল ইসলামকে ফেরান রাশিদ। লেগ স্পিনারের বলে খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দেন অভিষিক্ত ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় চেষ্টায় বল মুঠোয় নেন মোহাম্মাদ নাবি।
১০ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি আলিস।
পরের বলে বোল্ড হয়ে যান মুস্তাফিজুর রহমান। ম্যাচে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ পান তিনি। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন শূন্য রানে।
৩১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের সফলতম বোলার রাশিদ। দুটি করে উইকেট নেন ইয়ামিন আহমাদজাই ও আজমাতউল্লহ ওমারজাই।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৪১.২ ওভারে ১৬০ (সাইফ ৪১, তানজিদ ১, সৌম্য ০, শান্ত ১৫, হৃদয় ০, পারভেজ ৭০, মিরাজ ২, শরিফুল ৭, আলিস ০, তাসকিন ২*, মুস্তাফিজ ০; ওমারজাই ৭-০-২৭-২, ইয়ামিন ৬-০-২১-২, বিলাল ৬-০-২৩-১, গাজানফার ৫-০-১২-০, রাশিদ ৮.২-০-৩১-৪, নাবি ৯-০-৩৫-১)
৭০ রানে থামলেন পারভেজ
এক প্রান্ত আগলে রেখে এগিয়ে যাওয়া পারভেজ হোসেনের প্রতিরোধ ভাঙলেন রাশিদ খান।
লেগ স্পিনারের স্টাম্পে থাকা ডেলিভারি পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন পারভেজ। ব্যাটে-বলে করতে পারেননি তিনি। আম্পায়ার এলবিডব্লিউর জোরাল আবেদনে সাড়া দেওয়ার পর রিভিউ নেন তিনি। তাতে কাজ হয়নি, বল আঘাত হানত মিডল স্টাম্পের উপর দিকে।
৯৬ বলে দুই ছয় ও পাঁচ চারে ৭০ রান করেন পারভেজ।
৪০ ওভারে বাংলাদেশের রান ৮ উইকেটে ১৫৮। ক্রিজে আলিস আল ইসলামের সঙ্গী তাসকিন আহমেদ।
আগের সেরা ছাড়িয়ে পারভেজ
লিটন দাসের চোটে স্কোয়াডে এসে একাদশেও জায়গা পেয়ে যাওয়া পারভেজ হোসেন টানছেন বাংলাদেশকে। আগের সেরা ৬৭ ছাড়িয়ে গেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।
গত বছর জুলাইয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন পারভেজ। মোহাম্মাদ নাবির বলে ছক্কায় সেই রান ছাড়িয়ে গিলেন তিনি।
৩৯ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ১৫৬। ৯৪ বলে ৭০ রানে খেলছেন পারভেজ। ৫ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি আলিস আল ইসলাম।
টিকলেন না শরিফুল
রাশিদ খানের আগের বলে চার মারলেন শরিফুল ইসলাম। লেগ স্পিনারের পরের বলে বোল্ড হয়ে গেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।
বলের লাইন ও লেংথ বুঝতে পারেননি শরিফুল। ব্যাটের কানা এড়িয়ে বল আঘাত হানে অফ স্টাম্পের চূড়ায়। ভাঙে ২৮ বল স্থায়ী ২৩ রানের জুটি।
১৪ বলে এক চারে ৭ রান করেন শরিফুল।
৩৮ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ১৪৭। ক্রিজে পারভেজ হোসেনের সঙ্গী অভিষিক্ত আলিস আল ইসলাম।
মিরাজের বিদায়ে মহাবিপদে বাংলাদেশ
ব্যটিংয়ে প্রত্যাশা মেটাতে পারলেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। বিলাল সামির শর্ট বলে সীমানায় ক্যাচ দিলেন এই অলরাউন্ডার।
বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের শেষ জুটির উপর বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু এর ধারে কাছেও যেতে পারল না সেটি। বরং ভাঙল খুব দ্রুত।
সামির শর্ট বলে ছক্কার চেষ্টায় ব্যাট চালিয়ে দিয়ে টাইমিং করতে পারেননি মিরাজ। ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে এগিয়ে এসে ক্যাচ নেন বদলি ফিল্ডার নানগেয়ালিয়া খারোটে।
৭ বলে ২ রান করেন মিরাজ।
৩৩ ওভারে বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ১২৪। ক্রিজে পারভেজ হোসেনের সঙ্গী শরিফুল ইসলাম।
পারভেজের পঞ্চাশ ও সাইফের বিদায়
দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পঞ্চাশ স্পর্শ করলেন পারভেজ হোসেন। পরের বলে দায়িত্বজ্ঞানহীন শটে বিদায় নিলেন সাইফ হাসান।
মোহাম্মাদ নাবির বলে সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পঞ্চাশে যান পারভেজ, ৭৫ বলে।
পরের বলে অহেতুক বেরিয়ে এসে টেনে বড় শট খেলার চেষ্টায় তালগোল পাকান সাইফ। উপরে উঠে যাওয়া ক্যাচ নেন বদলি ফিল্ডার নানগেয়ালিয়া খারোটে।ভাঙে ১৪৭ বল স্থায়ী ৯৩ রানের জুটি।
৮২ বলে এক ছয় ও দুই চারে ৪১ রান করেন সাইফ।
৩২ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ১২২। ক্রিজে পারভেজের সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজ। বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের শেষ জুটি এটাই।
২৬ ওভারে বাংলাদেশের একশ
১৫তম ওভারের শেষ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেছিল বাংলাদেশ, ২৬তম ওভারের শেষ ওভার রান স্পর্শ করল একশ।
২৬ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ১০০।
৫৩ বলে পারভেজের রান ৩৪। ৭১ বলে সাইফের রান ৩৭।
মাঝপথে বাংলাদেশ ৯৬/৪
সাত ওভারে চার উইকেট হারানো বাংলাদেশকে টানছেন সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন। অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে ১০৭ বলে তারা গড়েছেন ৬৬ রানের জুটি।
২৫ ওভারে আফগানিস্তানের রান ৪ উইকেটে ৯৬।
৫০ বলে এক ছয় ও দুই চারে ৩২ রানে ব্যাট করছেন পারভেজ। ৬৮ বলে এক ছয় ও দুই চারে ৩৫ রানে খেলছেন সাইফ।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করছেন দুই ব্যাটসম্যান। তবে রাশিদ খান, মোহাম্মদ নাবি তাদের কাজ যতটা সম্ভব কঠিন করে তুলছেন।
৯২ বলে জুটির পঞ্চাশ
ধীরে হলেও বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পঞ্চম উইকেটে তারা গড়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি, ৯২ বলে।
মোহাম্মাদ নাবির বলে চার মারার এক বল পর সিঙ্গেল নেন পারভেজ। তাতে জুটির রান যায় পঞ্চাশে।
২২ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৭৮।
একটি করে ছয় ও চারে ৪২ বলে ২৩ রানে খেলছেন পারভেজ। ৫৮ বলে দুই চারে ২৬ রানে ব্যাট করছেন সাইফ।
আফগানিস্তানের ব্যর্থ রিভিউ
সপ্তদশ ওভারে আক্রমণে এলেন রাশিদ খান। সাইফ হাসানকে বেশ ভোগালেন এই লেগ স্পিনার। ওভারের শেষ বলে এলবিডব্লিউর রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হলেন আফগানিস্তান অধিনায়ক রেহমাত শাহ।
অফ স্টাম্পের বাইরের বল ব্যাক ফুটে কোনোমতে খেলেন সাইফ। ব্যাটে বলের মৃদু স্পর্শ বুঝতে পারেননি আফগানিস্তান দলের কেউ। এলবিডব্লিউর জোরার আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে দুই সেকেন্ড বাকি থাকতে রিভিউ নেন রেহমাত।
রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাটের কানা ছুঁয়ে প্যাডে লেগেছিল বল। আফগানিস্তান হারায় প্রথম রিভিউ।
১৭ ওভারে আফগানিস্তানের রান ৪ উইকেটে ৬১। ৪৩ বলে ২৪ রানে খেলছেন সাইফ। ২৭ বলে ১২ রানে ব্যাট করছেন পারভেজ হোসেন।
অবশেষে বাংলাদেশের পঞ্চাশ
সাত ওভারের মধ্যে চার উইকেট হারানো বাংলাদেশের রান পঞ্চাশ স্পর্শ করেছে ১৫তম ওভারের শেষ বলে।
বিলাল সামির বলে ছক্কা মেরে দলকে পঞ্চাশ রানে নিয়ে যান পারভেজ হোসেন। ভীষণ মন্থর শুরু করা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান প্রথম ২২ বলে করেন কেবল তিন রান।
আরেক প্রান্তে সাইফ হাসানও বেশ সাবধানী। অপ্রয়োজনীয় কোনো ঝুঁকি নিচ্ছেন না এই ওপেনার। মূলত এক-দুই নিয়ে খেলছেন তিনি।
১৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৫৫।
প্রথম পাওয়ার প্লেতে দিশেহারা বাংলাদেশ যেন দুঃস্বপ্নের মতো শুরু হয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। প্রথম পাওয়ার প্লেতে হারিয়েছে চার উইকেট।
১০ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৩৮।
ওপেনিংয়ে নেমে ২৩ বলে দুই চারে ১৫ রানে ব্যাট করছেন সাইফ হাসান। তার চার দুটি এসেছে দশম ওভারে। পাঁচ বল খেলে এখনও কোনো রান করতে পারেননি পারভেজ হোসেন।
শারজাহর উইকেটের গতি ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। আফগানিস্তানের পেসারদের বলে টাইমিং করতে পারছেন না তারা।
দ্বিতীয় ওভারে পরপর দুই বলে তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকারের উইকেট নিয়েছেন ইয়ামিন আহমাদজাই। সপ্তম ওভারে তিন বলের মধ্যে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়ের উইকেট নিয়েছেন আজমাতউল্লাহ ওমারজাই।
খাদের কিনারায় চলে যাওয়া দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব আপাতত সাইফ ও পারভেজের কাঁধে। এরপর ব্যাটসম্যান বলতে আছেন কেবল মেহেদী হাসান মিরাজ।
শুধু জিতলেই হবে না, ফাইনালে যেতে হলে রান রেট নিতে হবে জিম্বাবুয়ের উপরে। তাতে ম্যাচের পরের অংশে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা।
শূন্যতেই শেষ হৃদয়
স্রেফ দুই বল টিকলেন তাওহিদ হৃদয়! আজমাতউল্লাহ ওমারজাইকে সহজ ফিরতি ক্যাচ দিলেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক।
লেগ-মিডল স্টাম্পের বল শাফল করে লেগে খেলতে চেয়েছিলেন হৃদয়। ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় ওমারজাইয়ের হাতে। একরাশ হতাশা নিয়ে শূন্য রানে মাঠ ছাড়েন হৃদয়।
৭ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ২৮। ক্রিজে সাইফ হাসানের সঙ্গী পারভেজ হোসেন।
দ্রুত ফিরলেন শান্ত
শুরুতেই ফিরে যেতে পারতেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে স্টাম্পে ঘেঁষে বেরিয়ে যায় বল। উল্টো চার রান পেয়ে যান তিনি।
কিন্তু ঠিক স্বস্তিতে ছিলেন না শান্ত। অফ স্টাম্পের বাইরের বল ভোগাচ্ছিল তাকে। শেষ পর্যন্ত তেমন এক ডেলিভারিতেই থামলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
আজমাতউল্লাহ ওমারজাইয়ের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোচা মারেন শান্ত। সহজেই গ্লাভসে নেন রাহমানউল্লাহ গুরবাজ।
২৩ বলে তিন চারে ১৫ রান করেন শান্ত।
৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ২৭। ক্রিজে সাইফ হাসানের সঙ্গী তাওহিদ হৃদয়।
গোল্ডেন ডাক সৌম্য
পরপর দুই বলে দুটি উইকেট হারাল বাংলাদেশ। তানজিদ হাসানের পর ফিরে গেলেন সৌম্য সরকার।
ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে আপাত সাদামাটা ডেলিভারি আরও বেরিয়ে যাচ্ছিল। কাভার ড্রাইভের চেষ্টায় সেটা স্টাম্পে টেনে আনেন সৌম্য।
তিনে নেমে গোল্ডেন ডাকের তেতো অভিজ্ঞতা হয় বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের।
ইয়ামিনের হ্যাট্রটিক ঠেকিয়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। অফ স্টাম্পের একটু বাইরের ডেলিভারিতে শট খেলারই চেষ্টা করেননি তিনি।
২ ওভারে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ৮।
শুরুতেই ফিরলেন তানজিদ
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙল তাদের উদ্বোধনী জুটি। কট বিহাইন্ড হলেন তানজিদ হাসান।
ম্যাচের প্রথম ওভারে তিন বলের মধ্যে দুই ওয়াইড করেন আজমাতউল্লাহ ওমারজাই। পরের ওভারে ইয়ামিন আহমাদজাই প্রথম দুটি বলে করেন ওয়াইড।
এক বল পর উইকেটের উল্লাসে মাতেন ইয়ামিন। অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে সোজা যাওয়া ডেলিভারিতে খোঁচা মেরে কিপার রাহমানউল্লাহ গুরবাজের গ্লাভসে ধরা পড়েন তানজিদ।
৬ বলে ১ রান করেন তানজিদ।
১.২ ওভারে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৬। ক্রিজে সাইফ হাসানের সঙ্গী সৌম্য সরকার।
বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটিতে পরিবর্তন সৌম্য সরকার একাদশে থাকলেও তাকে ওপেনিং থেকে সরিয়ে দিল বাংলাদেশ। পারভেজ হোসেন একাদশে ফিরলেও ওপেনিংয়ে জায়গা পেলেন না। তানজিদ হাসানের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করলেন সাইফ হাসান। আগের ম্যাচে তিনি খেলেছিলেন মিডল অর্ডারে।
১ ওভারে বাংলাদেশের রান বিনা উইকেটে ৪।
আফগান একাদশে দুই পরিবর্তন
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় জয়ের পরও নিজেদের একাদশে জোড়া পরিবর্তন করেছে আফগানিস্তান। বাইরে রাখা হয়েছে ফাজালহাক ফারুকি ও জিয়াউর রেহমান আকবারিকে। তাদের জায়গায় এসেছেন ইয়ামিন আহমাদজাই ও বিলাল সামি।
আফগানিস্তান একাদশ: রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকউল্লাহ আটাল, রেহমাত শাহ, হাশমাতউল্লাহ শাহিদি, আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, মোহাম্মাদ নাবি, রাশিদ খান, এএম গাজানফার, ইয়ামিন আহমাদজাই, বিলাল সামি
আলিসের অভিষেক, একাদশে ৩ পরিবর্তন
মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা রহস্য স্পিনারকে বের করে আনল বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক হলো আলিস আল ইসলামের। এই সংস্করণে বাংলাদেশের ১৫৫তম ক্রিকেটার তিনি।
সব মিলিয়ে একাদশে পরিবর্তন মোট ৩টি। বাদ পড়েছেন কিপার নুরুল হাসান সোহান, লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ও অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। জ্বর সেরে একাদশে ফিরেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। সোহানের জায়গায় কিপিংয়ের দায়িত্বে থাকবেন পারভেজ হোসেন।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, আলিস আল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
টস জিতলেন তাওহিদ হৃদয়। বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নিলেন ব্যাটিং।
ত্রিদেশীয় সিরিজে আগের দুই ম্যাচে জিতেছে টস জিতে আগে ব্যাট করা দল। সেই দুই ম্যাচ অবশ্য হয়েছিল আবু ধাবিতে। এবার লড়াই শারজাহতে।
টস জিতলে ব্যাটিং নিতেন আফগানিস্তান অধিনায়ক রেহমাত শাহও।
কঠিন সমীকরণ মেলানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের জিম্বাবুয়ের কাছে বিব্রতকর হারের পর ত্রিদেশীয় সিরিজে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে গেছে বাংলাদেশ। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জিতলেই হবে না, মেলাতে হবে কঠিন সমীকরণ।
শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে মাঠের লড়াই। আগে ব্যাট করলে অন্তত ৪১ রানে জিততে হবে বাংলাদেশের।
আর আগে ব্যাট করার সুযোগ না পেলে আরও কঠিন হয়ে যাবে পথ। সেক্ষেত্রে আফগানদের ২০০ রানে আটকে রাখতে পারলে সেটি তাড়া করতে হবে ৪০.৩ ওভারের মধ্যে। এছাড়া লক্ষ্য যত বড় হবে, ততই সংকীর্ণ হবে বাংলাদেশের সুযোগ।
আগে ব্যাটিং হোক বা পরে, প্রথম ম্যাচের ব্যাটিং-বোলিং ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠার বিকল্প নেই বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরুতে দারুণ বোলিং করলেও মাঝের ওভারে ও শেষ দিকে গড়বড় হয়ে যায় সব।
পরে রান তাড়ায়ও তানজিদ হাসানের ব্যাটে মেলে উড়ন্ত শুরু। কিন্তু পরে মিডল-অর্ডারের কেউই আর দায়িত্ব নিতে পারেননি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এসব শুধরে সমীকরণ মেলানোর চ্যালেঞ্জ উৎরে গেলেই মিলবে ফাইনালের টিকেট।
লাইভ ব্লগে স্বাগত
ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের ম্যাচের সবশেষ খবরাখবর নিয়ে আপনাদের সঙ্গে আছি অনীক মিশকাত।
ভারতের সাবেক লেগ স্পিনারকে কোচিং স্টাফে যোগ করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
জাতীয় দলের হয়ে আবার খেলতে ভারতের কিশোর বিস্ময়কে আরও অপেক্ষা করতে বলেছেন শ্রেয়াস আইয়ার।
কয়েক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে উসমান দেম্বেলে ও মার্কিনিয়োসকে, খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া হয়তো বাকি মৌসুমেই আর খেলতে পারবেন না।
এশিয়া কাপে অংশগ্রহণকারীদের উজ্জীবিত করতে এই ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন।