হোমপেজ লোড হচ্ছে…
সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, “এই বাইচ কাউকে আয়োজন করতে হয় না। এই নৌকা বাইচে কাউকে পুরস্কারও দেওয়া হয় না।”
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্গাপূজার বিজয় দশমীর আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ হয়েছে।
বুধবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘাঘর নদীতে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাইচে অংশ নিয়ে ছিল ১৪ টি বাচারী নৌকা। বাইচ দেখতে নদীর দু’পাড়ে কয়েক হাজার লোকের সমাগম ঘটে।
কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, “কথিত আছে যে প্রায় দেড়শত বছর আগে যশোরের বিঘাপতির জমিদার খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ঘাঘর নদীতে দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীর দিন এখানে মেলা ও নৌকা বাইচের আয়োজন করেছিলেন।
“সেখান থেকেই প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় এখানে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। কোটালীপাড়া উপজেলার সব ধর্মের জনগণ এই নৌকা বাইচে অংশগ্রহণ করেন।”
স্থানীয়রা জানান, কোটালীপাড়ার অনেকে গ্রামের বাইরে গিয়ে নানা কাজে জীবন যাপন করেন। নান্দনিক এ নৌকা বাইচ দেখার জন্য প্রতি বছর এ দিনটির জন্য অপেক্ষা করেন তারা। পরিবার নিয়ে দিনটি তারা কাটান একেবারেই গ্রাম্য পরিবেশ আর গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে।
কোটালীপাড়ার আশপাশের এলাকা ছাড়াও মাদারীপুর বাগেরহাট, বরিশাল জেলা থেকে আসা নানা ধর্ম-বর্ণের অসংখ্য দর্শক এ নৌকা বাইচ উপভোগ করতে আসেন।
এছাড়া প্রতিবছর বিজয়া দশমীর দিনে বিশেষ কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের আয়োজন ছাড়াই এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, “নদী খাল বিল বেষ্টিত কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত বছর ধরে বিশ্বকর্মা, দুর্গা ও লক্ষ্মী পূজায় নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এই বাইচ কাউকে আয়োজন করতে হয় না। এই নৌকা বাইচে কাউকে পুরস্কারও দেওয়া হয় না।”
“কোটালীপাড়ার এই নৌকা বাইচ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। আগামীতেও এই নৌকা বাইচ যাতে টিকে থাকে আমি সে বিষয়ে সব প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।