হোমপেজ লোড হচ্ছে…

দুদিন চালু থাকার পর গ্যাস সংকটের কারণে আবারও জামালপুরের যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছে।
রোববার ভোর ৫টা থেকে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান মো. ফজলুল হক জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “নিরবচ্ছিন্নভাবে সার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দৈনিক ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না থাকায় কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু হবে।”
দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটে বন্ধ থাকার পর গত ৬ অক্টোবর গ্যাস সরবরাহ পেয়ে কারখানাটিতে উৎপাদন শুরু হয়। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে দুই দিনের মাথায় ৮ অক্টোবর আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
পরে গত শুক্রবার কারিগরি ত্রুটি সমাধান করে উৎপাদন শুরু হলেও পেট্রোবাংলা ও তিতাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক বলেন, “পুরোপুরি উৎপাদনে ফিরতে না পারলেও গত দুদিনে মোট ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন করা হয়েছে।”
গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক জটিলতার কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে।
এরপর চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি গ্যাস সংকটের কারণে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে কারখানাটিতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়।
দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করা যমুনা সার কারখানায় গ্যাসের চাপস্বল্পতা ও বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমানে দৈনিক ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে কারখানাটি জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে আসছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ বজায় রেখে কারখানাটি সচল থাকলে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়। এতে প্রায় ৬০ কোটি টাকা লাভ থাকে।
অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও প্ল্যান্ট সচল রাখতে অন্যান্য খরচের বাইরে শুধু গ্যাস বিল বাবদ মাসে প্রায় ৬ কোটি টাকা দিতে হয়।
চালুর ২ দিনের মাথায় যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ
“শিশু হাসপাতালের কাছে ওই ব্যবসায়ী সহায়তা চাইলে পুলিশ অপহরণের বিষয়টি জানতে পারে,” বলেন শেরেবাংলা নগর থানার ওসি।
এর আগে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই দুই রুটে ফ্লাইট বন্ধ রাখে বিমান। এবার তার সঙ্গে আরও নয় দিন যোগ হলো।
কেরাণীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের রসুলপুর বাজার এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়ার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার হয়।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে যেসব স্টেশনে ট্রেনটি থামত, তারমধ্যে শুধু কুমিরাতে আর থামবে না।