হোমপেজ লোড হচ্ছে…

চট্টগ্রামের সঙ্গীত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ‘সঙ্গীত ভবন’ এর ৬০ বছর পূর্তিতে ছয়দিনের হীরকজয়ন্তী উৎসব শুরু হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শাহাদাত হোসেন বলেন, “এই যুগে একটি প্রতিষ্ঠান ষাট বছর শুদ্ধ সংগীত চর্চা করে যাচ্ছে এটা অনেক বড় বিষয়। সংগীত ভবনের এই পথ চলা নতুন প্রজন্মকে শুদ্ধ সংগীত চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে আশা করি।”
কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, “সংগীত হচ্ছে সংস্কৃতির আত্মা। এই আত্মাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।”
মুক্তিযুদ্ধ গবেষক মাহফুজুর রহমান বলেন, “সংগীত চর্চার পাশাপাশি মানুষকে জাগাতে ও প্রতিষ্ঠানকে ভূমিকা রাখতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সংগীতকে নিয়ে যেতে হবে।”
উৎসবের শুরুতেই সঙ্গীত ভবনের শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ‘শুভ কর্মপথে ধর নির্ভয় গান’ ও ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর’।
এরপর রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন পর্যায়ের গান পরিবেশন করেন আমন্ত্রিত সংগঠন- অভ্যুদয় সঙ্গীত অঙ্গন ও সঙ্গীতালয় এর শিল্পীরা। মঞ্চে রবীন্দ্রনাথের গানের সুরে ছিল ‘ওডিশি অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টার’ শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনা।
উৎসবের পরবর্তী চারদিন নজরুল, আধুনিক, পুরাতনী, লোকসঙ্গীতের ওপর অনুষ্ঠান হবে৷ শেষ দিনের আয়োজনে থাকবে শাস্ত্রীয় সংগীত। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমিতে এসব পরিবেশনা হবে।
‘সঙ্গীত ভবন’-এর দীর্ঘ পথচলার এই উদযাপনে সংগীত ও সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা নিয়ে শরিক থাকবে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনও।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীত ভবনের সভাপতি সেকান্দর চৌধুরী, সম্পাদক নুর নবী মিরণ ও অধ্যক্ষ কাবেরী সেনগুপ্তা।
নারীর জীবনসংগ্রাম, মাতৃত্ব এবং বাস্তবতার গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘ফারজানা’র চিত্রনাট্য।
এর আগে তামিল সিনেমার ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড আয়ের সিনেমা ছিল রজনীকান্ত ও অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘২.০’।
‘প্রতিবাদী শিল্পী জনতার’ ব্যানারে এই মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
‘প্রতিবাদী শিল্পী জনতার’ ব্যানারে এই মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছিল।