হোমপেজ লোড হচ্ছে…

জয়পুরহাটে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভা করেছেন মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকর্তা চার্লস বেসনার্ড।
মঙ্গলবার বিকালে প্রথমে জয়পুরহাট জেলা পরিষদ কার্যালয়ে জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেনসহ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
গোলজার হোসেন বলেন, “মতবিনিময়কালে রাজনৈতিক সহনশীলতা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করনীয় নিয়ে আলোচনা হয়।”
পাশাপাশি জেলার আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিও আলোচনায় উঠে আসে বলে জানান প্রশাসক।
পরে একই দিন সন্ধ্যায় আব্বাস আলী খান মিলনায়তনে জেলা জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চার্লস বেসনার্ড।
এ সময় সেখানে জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির ফজলুর রহমান সাঈদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মণ্ডল, সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম, মামুনুর রশিদ, রাশেদুল আলম সবুজ, মহিলা বিভাগের জেলা সেক্রেটারি শামীমা সাঈদ, মরিয়ম আখতার ও শাম্মী আখতারসহ দলের অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় শেষে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদ সাংবাদিকদের বলেন, “জাতীয় উন্নয়নে জামায়াতে ইসলাম সরকারকে সহযোগিতা করে আসছে। কিন্তু সরকার বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। তারপরও যে কোনো জাতীয় ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামী সরকারকে আন্তরিকভাবে সহায়তা করতে চায়।”
তিনি বলেন, “এ ছাড়া স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা, অবাধ গণতন্ত্র চর্চা এবং সব দলমতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে। “
জয়পুরহাট সফরকালে চার্লস বেসনার্ডের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তা মো. ইকবাল মাহমুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, ‘কালু বাহিনী’ ও ‘কাকন বাহিনী’র মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল পুলিশ।
সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিজয়নগর থানার ওসি।
হামলায় কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।