হোমপেজ লোড হচ্ছে…

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ‘ভিডিও ধারণকারী’ হিসেবে আলোচনায় থাকা বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সুরির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আপাতত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তাহসিফ সুরির মৃত্যুর কারণ এবং এর পেছনে অন্য কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি-না তা তদন্তের পরই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশএকাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে বুধবার বিকালে তুরাগ নদ থেকে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তাহসিফ সুরির মরদেহ উদ্ধার করে।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে করে দেশত্যাগের যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে, সেটি তাহসিফ সুরি ধারণ করেছিলেন বলে আলোচনা রয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেশত্যাগ সংক্রান্ত ভিডিও প্রকাশকে কেন্দ্র করে কোনো শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবেও তদন্তের আগে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমি এ বিষয়ে এখনও কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। কারণ, একটা প্রাথমিক তদন্ত হতে হবে। আর লাশের পোস্টমর্টেম হচ্ছে। তারপরে আমরা সব বিষয় জেনে কথা বলব।”
এ সময় আরেক সাংবাদিকেএ ঘটনায় পাশের দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কার কথা তুলে ধরে প্রশ্ন করা হলে তখনও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি সবকিছু জেনে তারপরে কথা বলব।”
গত জুলাইয়ে এক পডকাস্টে তাহসিফকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ওই ভিডিও ধারণ করায় বিমান বাহিনী থেকে তার চাকরি গেছে কি না। জবাবে তিনি বলেছিলেন, “হতে পারে।”
গত বছরের ৪ অগাস্ট ‘আমার দেশ’-এর প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়ার পর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক প্রতিবাদলিপিতে বলে, প্রতিবেদনে তাহসিফ সুরিসহ দুই কর্মকর্তাকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। ‘বাস্তবে’ এ দুই কর্মকর্তাকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বিমান বাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধিমালার আওতায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবসরে পাঠানো হয়েছে, যার সঙ্গে ওই অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
ছয় বছর আগের এ ঘটনায় আরও দুই আসামিকে যাবজ্জীবন এবং তিন আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিএনপি নেতার স্ত্রী কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করেন।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে গোলাপ হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে হামলাকারীরা। বাধ্য হয়ে শিশু কন্যাকে রেখেই দৌড়ে পালান তিনি।
“পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে আমরা ইয়াবা সরানোর একটি অভিযোগ শুনেছি; সেটা নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে,” বলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।