হোমপেজ লোড হচ্ছে…

বিশ্বমানের কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেশের বেকারত্ব সমস্যা নিরসনে উচ্চশিক্ষাসহ সর্বস্তরে কর্মমুখী, কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার বিকল্প নেই।”
বুধবার বঙ্গভবনে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান বলে বিশ্ববিদ্যালয়টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর ওপর জোর দিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করে।
তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টি ‘জেসাপ আন্তর্জাতিক কোর্ট’ প্রতিযোগিতার বাংলাদেশ রাউন্ডে ২০২৬ সালসহ চারবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের জন্য এ পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদল।
রাষ্ট্রপতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বশেষ অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্য সদস্যের মধ্যে ছিলেন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শাফায়েত মোহাম্মদ রাজু, বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ফরিদ আহমদ সোবহানী, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম হায়দার এবং বোর্ড সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের চৌধুরী।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ২ নভেম্বর তাদের বিচার শুরু হয়।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে মিরপুরে এ যানজটের কারণে অনেককেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
“এর আগেও তো নারীদের জন্য আলাদা বাস চালু হয়েছিল। কিছুদিন পর আর দেখা যায়নি। এবারও শুরুতে অনেক প্রচার হচ্ছে। কিন্তু ছয় মাস পরও বাসগুলো রাস্তায় থাকবে কি না, সেটাই দেখার বিষয়,” বলেন এক নারী যাত্রী।