হোমপেজ লোড হচ্ছে…

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় দুটি অবৈধ কালি কারখানার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এর মধ্যে একটি কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া পরিবেশ আইন লঙ্ঘন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় দুটি ইটভাটার চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের শরীফবাগ ও ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন এলাকায় কালি কারখানায় অভিযান চালান ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল মামুন।
একই দিন উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের মধুডাঙ্গা এলাকায় দুটি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেন ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ফাহিম শাহরিয়ার।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ধামরাইয়ের লোকালয় ও আবাসিক এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে অবৈধভাবে কালি তৈরি করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানা দুটিতে অভিযান চালান।
অভিযানে কারখানা দুটির কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পরে কারখানা দুটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।
অন্য কারখানাটিতে উৎপাদন বন্ধ থাকায় সেটির কার্যক্রমও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অন্যদিকে কুশুরা ইউনিয়নের মধুডাঙ্গা এলাকায় পরিবেশ আইন লঙ্ঘন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় সাজেদা ব্রিকস ও মদিনা ব্রিকসে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে ইটভাটা দুটির চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি উভয় ভাটা মালিককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত অবৈধ কারখানা ও ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ফাহিম শাহরিয়ার।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, ‘কালু বাহিনী’ ও ‘কাকন বাহিনী’র মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল পুলিশ।
সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিজয়নগর থানার ওসি।
হামলায় কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।