হোমপেজ লোড হচ্ছে…
ইইউতে নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, ও জার্মানিতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করেন সবচেয়ে বেশি
তথ্যসূত্র:

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিভিন্ন দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করা তরুণদের হারে বড় পার্থক্য রয়েছে। কোনো কোনো দেশে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ পড়াশোনার সঙ্গে চাকরি বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত থাকলেও, কিছু দেশে এই হার খুবই কম।আর্থিক প্রয়োজনেই বেশি কাজ পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার অন্যতম প্রধান কারণ আর্থিক প্রয়োজন। তবে শিক্ষার্থীদের কাজ করার পেছনে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়ানোর মতো কারণও রয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় বিনা মূল্যের অনলাইন কোর্স, যেভাবে আবেদনগবেষণা সংস্থা র্যান্ড ইউরোপের গবেষক ম্যাডেলিন নাইটিঙ্গেল বলেন, কিছু শিক্ষার্থী মূলত আর্থিক কারণে কাজ করেন। অন্যরা চাকরি বা অবৈতনিক ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং নিজেদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়াতে চান।পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করা শিক্ষার্থীদের হার সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে-১. নেদারল্যান্ডস—৭৪ দশমিক ৩ শতাংশ২. ডেনমার্ক—৫৬ দশমিক ৪ শতাংশ৩. জার্মানি—৪৫ দশমিক ৮ শতাংশইউজিসি গবেষণায় দেবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান, আবেদন করবেন যেভাবে অন্যদিকে সবচেয়ে কম হার দেখা গেছে ১. রোমানিয়া—২ দশমিক ৪ শতাংশ২. গ্রিস—৬ শতাংশ৩. ক্রোয়েশিয়া—৬ দশমিক ৪ শতাংশচাকরি খোঁজার হার বেশি যেসব দেশে১. সুইডেন—১৪ দশমিক ১ শতাংশ২. ফিনল্যান্ড—১০ শতাংশ৩. ডেনমার্ক—৯ দশমিক ৬ শতাংশঅন্যদিকে সবচেয়ে কম হার ছিল ১. রোমানিয়া—শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ২. ক্রোয়েশিয়া—শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ৩. চেকিয়া—শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ৪. হাঙ্গেরি—শূন্য দশমিক ৮ শতাংশবয়স বাড়ার সঙ্গে বাড়ে কর্মসংস্থান২৫ থেকে ২৯ বছর বয়সে নারীদের কর্মসংস্থানের হার ৬২ শতাংশ এবং পুরুষদের ৭১ দশমিক ৯ শতাংশ। একই বয়সী নারীদের ১৬ দশমিক ২ শতাংশ শ্রমবাজারের বাইরে ছিলেন এবং আনুষ্ঠানিক শিক্ষায়ও ছিলেন না। পুরুষদের ক্ষেত্রে এ হার ছিল ৬ দশমিক ৯ শতাংশ।মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ, মিলবে টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার ভাতা
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।