হোমপেজ লোড হচ্ছে…

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন।
দণ্ড পাওয়া হারেছ মিয়া (৪৫) ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গুলহরি গ্রামের প্রয়াত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি পেশায় রিকশা চালক ছিলেন।
মামলা থেকে জানা গেছে, হারেছ স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ফতুল্লার গেদ্দারবাজার এলাকার একটি টিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ২০২০ সালের ৮ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে (৩৫) ছুরিকাঘাত করেন হারেছ।
সেই সময় মাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে ১৬ বছরের ছেলে সোহাগকে ছুরিকাঘাত করা হয়। মা ও ছেলে পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। ওই ঘটনায় হারেছও জখম হন। ঘটনার সময় পাশের ঘরে থাকা ১২ বছরের মেয়ে বিথী আক্তারের ঘুম ভাঙলে ডাক-চিৎকার শুরু করেন।
পরে আশপাশের লোকজন এসে সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসক মা ও ছেলেকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে হারেছকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঘটনার পরদিন মনোয়ারার ভাই মজিবুর রহমান মজিদ ফতুল্লা মডেল থানায় হারেছের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন বলে জানান পিপি আবুল কালাম আজাদ।
পরে একই বছরের ২০ নভেম্বর পুলিশ হারেছের নামে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে বলে জানান তিনি।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয় বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।
রায়ের পর হারেছকে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে ভগ্নিপতি ও শ্যালক রয়েছেন।
মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন আন্দোলনকারীরা।
কক্সবাজারের রামুতে নৌকার ওপর সাজানো হয় কাগজ দিয়ে তৈরি নানা আকৃতির কল্প জাহাজ।
তিনি ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।