হোমপেজ লোড হচ্ছে…
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়
নাহিয়ান আরাফ আয়ান

বিয়ের বয়সটা কম হলে বদলে যায় জীবনের অনেক কিছু। বাল্যবিয়ের পর একটি মেয়ের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও অনেক ক্ষেত্রে সীমিত হয়ে পড়ে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়। বাংলাদেশে অনেক মেয়ের বড় জীবন-সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পরিবারের হাতে থাকে, বিশেষ করে বাবা-মায়ের।
বিয়ের পর এর প্রভাব দেখা যেতে পারে সন্তান নেওয়া বা জন্মনিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্তেও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- ডব্লিউএইচও বলছে, খুব অল্প বয়সে বিয়ে করা মেয়েদের সন্তান নেওয়া পিছিয়ে দেওয়া এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহারের সিদ্ধান্তে স্বায়ত্তশাসন সীমিত থাকার ঝুঁকি থাকে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয় চলাফেরা ও প্রয়োজনীয় সেবা নেওয়ার নানা বাধা। ইউএনএফপিএ- এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাল্যবিয়ের শিকার মেয়েদের প্রজনন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা কম থাকতে পারে। চলাফেরার ওপর সীমাবদ্ধতা থাকলে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
ইউএনএফপিএ- এর ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অনেক মেয়ের বড় জীবন-সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সীমিত। তাই মেয়েদের জীবনদক্ষতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে স্কুলভিত্তিক কর্মসূচির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অর্থাৎ বাল্যবিয়ের প্রভাব প্রভাব পড়তে পারে একটি মেয়ের নিজের ভবিষ্যৎ ও প্রজননস্বাস্থ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগেও।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়