হোমপেজ লোড হচ্ছে…
প্রিন্ট মিডিয়ার নিউজরুমে বসে দেখা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রভাব থেকে শুরু করে ডেটা জার্নালিজমের নবায়ন—তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে নিয়ে সাবেক সহকর্মী পলাশ দত্তের স্মৃতিচারণ।
পলাশ দত্ত

ে আমার কাজ করাটা ‘বহু যুগের ওপারের’ মতো। ১৬ বছর আগে প্রতিষ্ঠানটিতে আমি কাজ শুরু করেছিলাম। ছেড়ে এসেছি ১৪ বছর আগে।
২০০৬ সালে তৌফিক ইমরোজ খালিদী বিডিনিউজকে বদলানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তখন কয়েকজন সম্ভাবনাময় নবীন সাংবাদিকের দৈনিক যায়যায়দিন ছেড়ে বিডিনিউজে যাওয়া চূড়ান্ত হলো। সেই কয়েকজনের একজন হয়েও আমি আর সে যাত্রায় যুক্ত হইনি বিডিনিউজে। তারপর একটি বেসরকারি টিভি স্টেশন ও একটি দৈনিকে কাজ করেছি ও ছেড়েছি।
তারও পর একটি সাপ্তাহিকে চাকরি খুইয়ে গেলাম সমকালের ছাপা সংস্করণে। সেখান থেকে কালের কণ্ঠে, অবশ্যই ছাপা সংস্করণে। কারণ এ বাংলায় তখনো অনলাইন সংস্করণ বা মিডিয়ার অত্যাচার শুরু হয়নি।
কালের কণ্ঠ বের হওয়ার মাস তিনেক আগে সেখানে কাজের শুরু। বিপত্তিটা বাঁধল পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার পর। আমি আজীবন কাজ করি নিউজ ডেস্কে। কালের কণ্ঠেও তাই। ডেস্কে বসে দেখি, সময় গড়িয়ে সন্ধ্যা পার হলেও প্রতিবেদকেরা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো জমা দেন না।
কেন এত দেরি করেন তারা? শুরুতে বোঝার চেষ্টা করেও বুঝতে পারিনি। কয়েক দিন পরই দেখলাম, এবং বুঝলাম। দেখলাম সব প্রতিবেদক ও ডেস্কের কর্মীদের কম্পিউটারে খোলা থাকে । আর সেই বিডিনিউজের সংবাদের শিরোনাম এবং ফোকাসের সঙ্গে মিলে যায় আমাদের প্রতিবেদকদের দেরি-করে-দেওয়া প্রতিবেদনের শিরোনাম ও ফোকাস।
এমনটা তো হতেই পারে। কোনো কোনো প্রতিবেদনের বিষয়ই এমন হতে পারে যে দুটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ধরন মিলে যেতেই পারে। কিন্তু প্রতিদিন? প্রায় প্রতিটা বড় বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার প্রতিবেদন? সেসবই মিলে যাচ্ছিল নিয়মিত এবং নিয়মিত।
এই মিলে যাওয়ার বিরক্তি দূর করতে আমি এবার ে যাওয়ার কথা ভাবি। কালের কণ্ঠ প্রকাশের ১০ দিন পর পদত্যাগপত্র দিই। নির্বাহী সম্পাদক অমিত হাবিব বসুন্ধরা সিটির গ্যারেজে দাঁড়িয়ে জানতে চেয়েছিলেন: “কেন যাবেন?” বলেছিলাম: “রিপোর্টাররা বিডিনিউজের নিউজ দেখে রিপোর্ট লেখেন। তাহলে এখানে আর এডিট করার কী দরকার। বিডিনিউজে গিয়ে এডিট করি, ওটাই রিপোর্টাররা এখানে জমা দেবেন।”
হ্যাঁ, তৌফিক খালিদীর বিডিনিউজ তখন এমনই ছিল। বিডিনিউজের প্রতিবেদনের ধরন-গড়ন তখন ঢাকার মুদ্রিত পত্রিকাগুলোর প্রতিবেদনকেও, ভদ্রভাবে বললে, প্রভাবিত করত। কয়েক বছর আমি সেই বিডিনিউজের অংশ ছিলাম। ছিলাম তৌফিক ভাইয়ের সহকর্মী।
অনলাইন সাংবাদিকতা বুঝে ফেলেছিলেন সেই ২০০৫ সালে। আবার এই ২০২৫-এ এসে ঠিক বুঝে ফেলেন ডেটা সাংবাদিকতার মতো নবীনতম ধারাটি। গত বছরই বলেছিলেন, “ডেটা সাংবাদিকতা শুধু নিজেই করবা? আমাদেরকে শেখাবা না? আমাদের ছেলেপেলেদের ট্রেইনিং দাও।”
অবাক হয়েছিলাম এ কথা শুনে। বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার পথিকৃৎ তৌফিক ইমরোজ খালিদী সবসময়ই ছিলেন চৌকস ও তীক্ষ্ণধী। নিজেকে নবায়নই করে গেছেন সময়ের সাথে সাথে।
পলাশ দত্ত: কবি ও সাংবাদিক। ের সাবেক কর্মী।
জীবন বাজি রেখে ভিটেমাটি বেচে বিদেশে গিয়ে কেন অদক্ষ শ্রমিকদের মৃত্যুদণ্ডের মতো করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে?
ভারতে আগামী ১ নভেম্বর থেকে সিম কার্ডের নামেই মিলবে কলারের পরিচয়। থার্ড পার্টি অ্যাপ বা টাকা খরচ ছাড়া এমন মৌলিক সাইবার নিরাপত্তা সুবিধা বাংলাদেশের সাধারণ গ্রাহকদের দিতে টেলিকম অপারেটর ও বিটিআরসি কি উদ্যোগী হতে পারে না?
যে প্রবাসীদের আয়ে দেশের অর্থনীতি সচল থাকে, সংকটের দিনে ন্যূনতম আইনি সহায়তা না দিয়ে রাষ্ট্র কি নিজের প্রাথমিক দায়িত্ব এড়াতে পারে?
সড়ক দুর্ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ আদায় কোনো সমাধান নয়; বরং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও দুর্ঘটনা রোধে কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব।