হোমপেজ লোড হচ্ছে…
পশ্চিম এশিয়াজুড়ে বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনার পেছনে এ গোয়েন্দা তথ্য একটি কারণ।

ইরান পশ্চিম এশিয়ায় ও এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের লক্ষ্যস্থল করার প্রচেষ্টা ‘উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে’ বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তথ্য পেয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের হাতের আসা গোয়েন্দা সংস্থার একটি মেমোতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে, “প্রাণঘাতী ষড়যন্ত্রগুলো উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে।”
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা ক্রমশ বৃদ্ধির মধ্যে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনার পেছনে এ গোয়েন্দা তথ্য একটি কারণ।
মার্কিন কর্মকর্তারা আরও আশঙ্কা করছেন, ইরান সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবেই বাইরে ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও তাদের হামলার বিস্তৃতি ঘটাতে পারে।
পশ্চিম এশিয়ার অস্থির নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ফের শুরু হওয়ার সম্ভাবনা, যা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে ঘটতে পারে।
শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক নির্বাচনী প্রচার সমাবেশে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা হয়তো আরেকটি ছোট ‘এপিক ফিউরি’ অভিযান করতে পারি, অথবা (ইরানিরা একটি চুক্তিতে) সম্মত হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “যদি তারা বুদ্ধিমান হয় তবে তারা হয়তো বলবে, ‘চলুন কাজের কথায় আসা যাক,’ কিন্তু আমরা সন্দেহ তারা এটা করবে কি না, কারণ তারা সম্ভবত বুদ্ধিমান নয়।”
অ্যাক্সিওসের হাতে আসা গোপন নয় এমন এক পৃষ্ঠার একটি মেমোতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জে ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওকে সতর্ক করে বলেছেন, “ইরানি গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র বিষয়ক গোয়েন্দা তথ্য বর্তমানে যারা পাওয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত, তাদের চেয়েও আরও বেশি সংখ্যক মার্কিন কর্মীর কাছে পৌঁছানো দরকার।”
মেমোটিতে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু, পশ্চিম এশিয়ার বাইরের কোনো দেশ বা ষড়যন্ত্রের ধরনের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। তবে এতে বলা হয়েছে, এর পেছনে থাকা গোয়েন্দা তথ্য ইতোমধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এবং জেদ্দা ও দাহরানে অবস্থিত কনস্যুলেটগুলো থেকে কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের ও অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন কর্মীদের ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সংযুক্ত আরব আমিরাত, লেবানন, কাতার ও জর্ডানের দূতাবাসগুলো থেকে তাদের কূটনীতিক ও সরকারি কর্মীর সংখ্যা হ্রাস করার নির্দেশ দিয়েছে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
“যারা কিউবায় ‘ইতিবাচক পরিবর্তন’ আনতে চান, এখনই সঠিক সময়,” বলেন তিনি।
আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের জন্য ইরানের হামলা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে এবং সামরিক সক্ষমতায় রিয়াদের স্বনির্ভরতা বাড়তে পারে।
আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের জন্য ইরানের হামলা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে এবং সামরিক সক্ষমতায় রিয়াদের স্বনির্ভরতা বাড়তে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দলে দলে রাজধানী প্যারিসের রাস্তায় নেমেছে। পতাকা হাতে সমবেত বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ স্লোগান দিচ্ছিল ‘রাষ্ট্র, পুলিশ এবং ফ্যাসিস্টদের পতন হোক’।