হোমপেজ লোড হচ্ছে…

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ তিন নেতা ভারতের উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে ‘গোপন বৈঠক’ করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
সোমবার এক ফেইসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াত নেতাদের ওই বৈঠক হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে পরওয়ার এ দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে বলেছেন। অন্যদিকে রাশেদ খাঁন তার অভিযোগ ‘শতভাগ সত্য’ বলে দাবি করেছেন।
ফেইসবুক পোস্টে রাশেদ দাবি করেন, ১৬ অক্টোবর মাগরিবের পর বারিধারার ওই বৈঠকে মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে জামায়াত নেতা এ টি এম মা’ছুমও ছিলেন।
তিনি লেখেন, ‘‘যারা সারাদিন ভারতের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখে, তারা কী কারণে, কোন স্বার্থে ভারতীয় এই গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে গোপন বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে? কোনো ভারতীয় কূটনীতিকের সাথে বৈঠক করা, আর ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক হওয়া এক জিনিস নয়।’’
রাশেদ বলেন, ‘‘মিয়া গোলাম পরওয়ার যদি নৈতিক রাজনীতি করে থাকে, আশা করি তিনি গোপন এই বৈঠকের বিষয়টি খোলাসা করবেন। অন্যথায় ধরেই নেওয়া হবে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে জামায়াত। এই ষড়যন্ত্রের প্রথম ফাঁদ হলো, আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে জামায়াতের আন্দোলনের ছক!’’
এই অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মিয়া গোলাম পরওয়ার কে বলেন, ‘‘এটা একেবারে অসত্য কথা, এটা ঠিক না। তারা তো চাইলে এআই দিয়ে ছবি বানাতে পারে, বানিয়ে দিক না।’’
তার এই জবাবের বিষয়ে রাশেদ খাঁনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘‘সবকিছুর তো ছবি লাগে না। মিটিং হয়েছে শতভাগ সত্য। গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছেন কি ছবি তোলার জন্য? একজন ইসলামী দলের নেতা হয়ে তিনি কীভাবে ‘না’ করেন, শতভাগ সত্য বৈঠক।’’
‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় ও মারধর করে বলে অভিযোগ ছাত্র ও যুব ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।
বর্তমান আইজিপিকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে ‘অযোগ্য লোক’ নিয়োগের নজির বলেও মন্তব্য করেছে দলটি।
“পুলিশ লাইনসে গোপনে গার্ড অব অনার দেওয়ার খবরও উদ্বেগজনক,” বলেন জাপা চেয়ারম্যান।
“পুলিশ লাইনসে গোপনে গার্ড অব অনার দেওয়ার খবরও উদ্বেগজনক,” বলেন জাপা চেয়ারম্যান।