হোমপেজ লোড হচ্ছে…

সুনামগঞ্জে মরমী সাধক ও ধামাইল গানের জনক লোককবি রাধারমণ দত্তের সমাধিস্থল সংলগ্ন স্থানে গানবাজনার আয়োজন বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে এমন দাবি জানিয়ে জগন্নাথপুরের ইউএনও মো. ইসলাম উদ্দিন বরাবর লিখিত আবেদন করেন ‘কেশবপুর ইসলামিক অর্গানাইজেশন’ কমিটির সদস্যরা।
আবেদনপত্রে তারা উল্লেখ করেন, জগন্নাথপুর পৌর সদরের কেশবপুর বাজার এলাকার কবরস্থান সংলগ্ন স্থানে গানবাজনার আয়োজন করা হলে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কেশবপুর ইসলামিক অর্গানাইজেশনের সদস্য আবেদনকারী রফিক মিয়া বলেন, “রাধারমণের অনুষ্ঠান নয়, কবরের পাশে গানবাজনা বন্ধ করতে আমরা আবেদন করেছি। ইএনও নিজেও অনুষ্ঠান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।”
তিনি বলেন, “গত দুই বছর ধরে আমরা কেশবপুরে রাধারমণের সমাধির পাশে কবরস্থান ঘেঁষা জায়গায় কোনো অনুষ্ঠান করতে দিচ্ছি না। এবারও সেখানে আয়োজন করতে চেয়েছিল। তবে আমাদের লিখিত আবেদনের পর প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে অন্য কোনো স্থানে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।"
জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামেই মরমী সাধক কবি রাধারমণ দত্তের সমাধিস্থল। বাংলা লোকসংস্কৃতিতে ধামাইল গান ও নৃত্যের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এই সাধকের স্মরণে প্রতিবছর সেখানে বাউল গানের আসর বসে। প্রশাসনও বিভিন্ন সময়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এ প্রসঙ্গে ইউএনও ইসলাম উদ্দিন বলেন, “আসলে গানবাজনা বন্ধের আবেদন করা হয়নি। তারা একটি চিঠি দিয়ে বলেছেন, কেশবপুর গ্রামের কবরস্থানের পাশে যেন গানবাজনার আয়োজন করা না হয়।”
তিনি জানান, কবরস্থানের পবিত্রতা রক্ষায় সবার সঙ্গে কথা বলে লোককবি রাধারমণ দত্তের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, ‘কালু বাহিনী’ ও ‘কাকন বাহিনী’র মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল পুলিশ।
সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিজয়নগর থানার ওসি।
হামলায় কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।