হোমপেজ লোড হচ্ছে…

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭২
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ৪.৫ ওভারে ২৯/১
হাসানই ভাঙলেন শুরুর জুটি
দারুণ বোলিং করা হাসান মাহমুদই ভাঙলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুর জুটি। কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরে গেলেন ব্র্যাডন্ডন কিং।
অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরে বদলি ফিল্ডার জাকের আলির গ্লাভসে ধরা পড়েন কিং। ভাঙে ২৯ বল স্থায়ী ২৯ রানের উদ্বোধনী জুটি।
২০ বলে তিন চারে ১৫ রান করেন কিং।
৫ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ১ উইকেটে ২৯। ক্রিজে জন ক্যাম্পবেলের সঙ্গী তেজনারাইন চন্দরপল।
ক্যাম্পবেলের ক্যাচ ছাড়লেন নাঈম
তৃতীয় ওভারে এলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুর জুটি ভাঙার সুযোগ। কিন্তু সেটা হাতছাড়া হয়ে গেল নাঈম হাসানের ব্যর্থতায়।
হাসান মাহমুদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ঠিকঠাক ড্রাইভ করতে পারেননি ক্যাম্পবেল। বল যায় সোজা ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে। সেখানে হাত ছোঁয়ালেও মুঠোয় রাখতে পারেননি নাঈম।
সে সময় পাঁচ রানে ছিলেন ক্যাম্পবেল। পরে দুটি চার মারেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
৩ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান বিনা উইকেটে ২২।
কিপিংয়ে জাকের, নেই লিটন <div class="paragraphs"><p>চোট পাওয়া লিটন দাসের জায়গায় কিপিং করছেন জাকের আলি। ছবি: শামছুল হক রিপন</p></div> লাঞ্চ বিরতিতে কিপিং অনুশীলন করছিলেন একাদশের বাইরে থাকা কিপার-ব্যাটসম্যান জাকের আলি। তখনই মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যায় কিপিং করছেন না লিটন দাস। ব্যাটিংয়ের সময় আঙুলে চোট পেয়েছিলেন তিনি। সেই চোট নিয়ে ব্যাটিং চালিয়ে যেতে পারলেও ফিল্ডিংয়ে আর নামতে পারেননি লিটন।
২৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ
জোমেল ওয়ারিক্যানের পাঁচ উইকেটের সৌজন্যে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে তিনশ রানের নিচে থামিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
লাঞ্চের একটু আগে ৯৭.৩ ওভারে ২৭২ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা এক সেশনে হারিয়েছে শেষ ৭ উইকেট।
৩ উইকটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ প্রথম সেশনের দ্বিতীয় ঘণ্টায় নামা ধস ঠেকাতে পারেনি। তারা শেষ ৫ উইকেট হারায় কেবল ১৯ রানে।
এক প্রান্তে ৮৮ বলে চার চারে ৩৪ রানে অপরাজিত থেকে যান লিটন দাস।
পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টানেন ওয়ারিক্যান।
অফ স্টাম্পের বাইরের বল টার্নের আশায় খেলেন তাইজুল। সোজা যাওয়া ডেলিভারি ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে আমির জাঙ্গুর গ্লাভসে।
তাইজুল ৪ বলে করেন ১ রান।
পরের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান শরিফুল ইসলাম। আম্পায়ার আউট দেওয়ার পর রিভিউ নেন তিনি। তাতে কাজ হয়নি।
গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ পান শরিফুল।
৫৩ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সফলতম বোলার ওয়ারিক্যান। টেস্টে এ নিয়ে চতুর্থবার কোনো ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেলেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: (আগের দিন ২১৩/৩) ৯৭.৪ ওভারে ২৭৭ (সাদমান ১০৫, হৃদয় ৪২, লিটন ৩৪*, মিরাজ ১৫, নাঈম ৫, হাসান ৬, তাইজুল ১, শরিফুল ০; সিলস ১৩-৪-২৯-১, জোসেফ ১৫-৩-৪১-২, চেইস ১৩-১-৫৩-০, গ্রেভস ১০-৪-৩০-০, বিশপ ২৩-২-৬১-২, ওয়ারিক্যান ২৩.৪-৩-৫৩-৫)
জাঙ্গুই নিলেন হাসানের ক্যাচ
জীবন পেলেও বেশি দূর যেতে পারলেন না হাসান মাহমুদ। পরের ওভারেই আমির জাঙ্গুকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন তিনি।
শামার জোসেফের অফ স্টাম্প ঘেঁষে যাওয়া ডেলিভারি ডিফেন্স করার চেষ্টা করেন হাসান। ঠিকঠাক বলের লাইনে যেতে পারেননি তিনি। ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় উইকেটের পেছনে। এবার কোনো ভুল করেননি কিপার জাঙ্গু। আগের ওভারে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে হাসানের ক্যাচ ছেড়েছিলেন তিনি।
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ: মিরপুর টেস্ট, দ্বিতীয় দিন
১১ বলে হাসান করেন ৬ রান।
৯৭ ওভারে বাংলাদেশের আগে ৮ উইকেটে ২৭২। ক্রিজে লিটন দাসের সঙ্গী তাইজুল ইসলাম।
জীবন পেলেন হাসান
লাঞ্চের উইকেট আরও একটা উইকেট হারাতে পারত বাংলাদেশ। ফিরে যেতে পারতেন হাসান মাহমুদ। তিনি বেঁচে গেলেন আমির জাঙ্গুর ব্যর্থতায়।
জোমেল ওয়ারিক্যানের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে স্কয়ার কাট করেন হাসান। বাড়তি বাউন্স করা বল ব্যাটের কানায় লেগে কিপারের কাছে। বাড়তি বাউন্সের জন্যই হয়তো প্রতিক্রিয়া দেখাত দেরি করে ফেলেন জাঙ্গু। ছুটে যায় ক্যাচ।
সে সময় ৪ রানে ছিলেন হাসান।
৯৬ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ২৬৭।
দ্রুত ফিরলেন নাঈম
প্রথম সেশনে আরও একটি উইকেট হারাল বাংলাদেশ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে স্লিপে ধরা পড়লেন নাঈম হাসান।
শামর জোসেফের অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ বলে স্কয়ার ড্রাইভের চেষ্টায় মাঝ ব্যাটে নিতে পারেননি নাঈম। বাইরের কানায় লেগে যায় স্লিপে। সেখানে বাকিটা সারেন কেভেম হজ।
১২ বলে পাঁচ রান করেন নাঈম।
৯৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ২৬৬। ক্রিজে লিটন দাসের সঙ্গী হাসান মাহমুদ।
টিকলেন না মিরাজ, বাড়ল চাপ
সম্ভাবনাময় জুটির ইতি টানলেন জোমেল ওয়ারিক্যান। তার সোজা যাওয়া ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে গেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
বাঁহাতি স্পিনারের ডেলিভারি পা বাড়িয়ে খেলতে চেয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার। তিন যে টার্নের কথা ভেবেছিলেন, ওই ডেলিভারিতে সেটা ছিল অনুপস্থিত। সে কারণে লাইনে যেতে পারেননি।
সোজা গিয়ে বল আঘাত হানে স্টাম্পে। একরাশ অবিশ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়েন মিরাজ। ভাঙে ৭১ বল স্থায়ী ৩২ রানের জুটি।
৩৯ বলে দুই চারে ১৫ রান করেন মিরাজ।
৯০ ওভারে বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ২৫৩। ক্রিজে লিটন দাসের সঙ্গী নাঈম হাসান।
প্রথম ঘণ্টায় ২ উইকেটে ৩২
দ্বিতীয় দিনের শুরুটা তেমন ভালো হলো না বাংলাদেশের। পানি বিরতির আগপর্যন্ত ১৩ ওভারে ৩২ রান করতে দুই উইকেট হারিয়েছে তারা। সেঞ্চুরি করেই ড্রেসিং রুমে ফিরে গেছেন সাদমান ইসলাম। আগের দিন ৪২ রানে উঠে যাওয়া তাওহিদ হৃদয় আউট হয়েছেন আর কোনো রান না করেই।
দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর এখন জুটি গড়ার অভিযানে লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এই জুটিতে এখন পর্যন্ত এসেছে ২৪ রান। লিটন ২৩ ও মিরাজ ১২ রানে অপরাজিত।
৮৭ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৪৫ রান। ইনিংসের ৮৩তম ওভারে দ্বিতীয় নতুন বল নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
দ্বিতীয় নতুন বল নিল উইন্ডিজ
জশুয়া বিশপের দুই উইকেটের জন্যই হয়তো দ্বিতীয় নতুন বল নিতে একটু দেরি করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রস্টন চেইস। তবে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজকে সহজেই খেলতে দেখে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করলেন না তিনি।
৮২ ওভার শেষে নতুন বল নেন চেইস। আক্রমণে আসেন জেডেন সিলস। তার বাড়তি বাউন্স করা একটি ডেলিভারি ছোবল দেয় লিটন দাসের কনুইয়ের কাছাকাছি জায়গায়। সে সময় এলবো গার্ড ছাড়াই খেলছিলেন অভিজ্ঞ কিপার-ব্যাটসম্যান।
লিটনের চোখেমুখে স্পষ্ট হয়ে ওঠে ব্যথার ছাপ। ছুটে আসেন ফিজিও। কিছুক্ষণ শুশ্রূষা নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন লিটন। ওভারটি মেডেন খেলেন তিনি।
৮৩ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ২৩৮।
টিকলেন না হৃদয়, চাপে বাংলাদেশ সাদমান ইসলামের বিদায়ের পর ক্রিজে ফিরে দ্রুতই ফিরলেন তাওহিদ হৃদয়। একই রানে দুটি উইকেট হারাল বাংলাদেশ।
জশুয়া বিশপের আগের ওভারে ফেরেন সাদমান। জোমেল ওয়ারিক্যানের পরের ওভার মেডন খেলেন লিটন দাস।
বিশপের নতুন ওভারের প্রথম বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে শট খেলেন হৃদয়। আপাত সাদামাটা ডেলিভারি ভুল লাইনে খেলে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। বল আঘাত হানে লেগ-মিডল স্টাম্পে! এদিন কোনো রান করতে পারেননি হৃদয়।
৮৬ বলে তিন চারে ৪২ রান করে ফেরেন হৃদয়।
৭৯ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ২২৫। ক্রিজে লিটনের সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজ।
তামিমের পরেই এখন সাদমান
নতুন সকালে সেঞ্চুরি ছুঁতে বেশি সময় নেননি সাদমান ইসলাম। পরে অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতেও পারেননি। সব মিলিয়ে ১১ চারে ২৩৪ বলে তিনি খেলেন ১০৫ রানের ইনিংস।
এই সেঞ্চুরির সৌজন্যে একাধিক রেকর্ডে তামিম ইকবালের পরই উঠে গেছে সাদমানের নাম। বাংলাদেশের ওপেনারদের মধ্যে এখন সর্বোচ্চ রান ও সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক ৩১ বছর বয়সী ওপেনার।
চলতি টেস্ট শুরুর আগে সাদমানের নামের পাশে ছিল ১ হাজার ৫৭৮ রান। প্রথম ইনিংস শেষে তা বেড়ে দাঁড়াল ১ হাজার ৭৮৩ রানে। যার ফলে টপকে গেলেন ১ হাজার ৬৭৮ রান করা জাভেদ ওমরকে। এই তালিকায় বাকিদের চেয়ে অনেক ওপরে তামিম, ১৩৩ ইনিংসে ৫ হাজার ৯৫ রান।
সেঞ্চুরির তালিকায়ও এখন তামিমের পরের নাম সাদমানের। অবসরের আগে ১০টি সেঞ্চুরি করেছিলেন সাবেক অধিনায়ক। এত দিন দুটি সেঞ্চুরি নিয়ে পরের অবস্থানে ছিলেন সাদমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও ইমরুল কায়েস।
তৃতীয় সেঞ্চুরিতে জয় ও ইমরুলকে ছাড়িয়ে গেলেন সাদমান।
তিন অঙ্ক ছুঁয়ে ফিরলেন সাদমান
দিনের শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ। তিন অঙ্ক ছুঁয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে গেলেন সাদমান ইসলাম।
অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপের প্রথম শিকার বাঁহাতি এই ওপেনার।
মিডল স্টাম্পে পিচ করে সোজা যাওয়া বল শাফল করে লেগে খেলতে চেয়েছিলেন সাদমান। বলের লাইনে যেতে পারেননি তিনি। বল প্যাডে লাগলে এলবিডব্লিউর জোরাল আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার।
লিটন দাসের সঙ্গে কথা বলে রিভিউ নেন সাদমান। তাতে কাজ হয়নি, বল আঘাত হানতো মিডল স্টাম্পে। ভাঙল ৬৫ বল স্থায়ী ২৩ রানের জুটি।
২৩৪ বলে ১১ চারে ১০৫ রান করেন সাদমান।
৭৭ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ২২১। ক্রিজে লিটনের সঙ্গী তাওহিদ হৃদয়। পেশিতে টান লাগায় আগের দিন স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়া মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান খেলছেন ৪২ রানে।
শুরুতেই সাদমানের সেঞ্চুরি
<div class="paragraphs"><p>দিনের দ্বিতীয় বলেই তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন সাদমান ইসলাম। ছবি: শামছুল হক রিপন</p></div> এক রানের জন্য হয়তো উৎকণ্ঠায় কেটেছে রাত। অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ সময়। তবে সেই রান চলে এসেছে সাতসকালেই। দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় বলে দুই রান নিয়ে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেয়েছেন সাদমান ইসলাম।
জশুয়া বিশপকে দিয়ে বোলিং শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম বল ছিল লেগ স্টাম্পে, ফ্লিক করার চেষ্টায় ব্যাটে খেলতে পারেননি সাদমান।
পরের বলও ছিল লেগ স্টাম্পে। এবার পিছিয়ে গিয়ে শট খেলতে পারেন তিনি এবং দৌড়ে নেন দুই রান। প্রথম রানেই তিনি পান ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি, ২২১ বলে।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ৯৯ রানে দিন শুরু করে সেঞ্চুরি করলেন সাদমান। প্রথম জন মুশফিকুর রহিম।
৭৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ২১৫।
২২৫ বলে সাদমানের রান ১০১। ২৮ বলে লিটন দাসের রান ১০।
বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে নামছে বাংলাদেশ ওপেনার সাদমান ইসলামের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ভালো শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। সেই ভিতকে কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় দিন যতটা সম্ভব বড় সংগ্রহ গড়তে চায় তারা।
৭৪ ওভারে তিন উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করবে স্বাগতিকরা। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হবে সকাল সাড়ে নয়টায়।
২১৯ বলে ১০ চারে ৯৯ রানে খেলছেন সাদমান। বাঁহাতি ওপেনারের সামনে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরির হাতছানি। ২৮ বলে এক চারে ১০ রানে খেলছেন লিটন দাস।
সকালে দ্রুত ফিরেছেন তানজিদ হাসান। থিতু হয়ে বিদায় নিয়েছেন মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। পেশিতে টান লাগায় স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়েছেন তাওহিদ হৃদয়।
দুটি উইকেট নিয়েছেন জোমেল ওয়ারিক্যান। একটি উইকেট নিয়েছেন জেডেন সিলস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (প্রথম দিন শেষে):
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭৪ ওভারে ২১৩/৩ (সাদমান ৯৯*, তানজিদ ৭, মুমিনুল ২৮, নাজমুল ১৯, হৃদয় আহত অবসর ৪২, লিটন ১০*; সিলস ৮-৩-১৪-১, জোসেফ ১০-১-২৮-০, চেইস ১৩-১-৫৩-০, গ্রেভস ১০-৪-৩০-০, বিশপ ১৯-২-৫০-০, ওয়ারিক্যান ১৪-১-৩৩-২)
লাইভ ব্লগে স্বাগত বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলার সবশেষ খবরাখবর নিয়ে আপনাদের সঙ্গে আছি অনীক মিশকাত।