হোমপেজ লোড হচ্ছে…

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পানি নিষ্কাশনের নর্দমা নির্মাণ নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ সাবানা বেগমকে হত্যার দায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল মতিন জানান।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের লইয়ারকুল গ্রামের বাসিন্দা নাসির মিয়া, বিলাল মিয়া, গিয়াস মিয়া ও দুলাল মিয়া।
এর মধ্যে নাসির মিয়া ও গিয়াস মিয়া নিহত সাবানা বেগমের চাচাতো ভাই এবং দুলাল মিয়া ও বিলাল মিয়া সাবানা বেগমের সৎ ভাই।
মামলার বরাতে আইনজীবী বলেন, ২০১৬ সালে লইয়ারকুল গ্রামে পানি নিষ্কাশনের নর্দমা নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় সাবানা বেগমকে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের মা মায়া বেগম হত্যা মামলা করেন। মামলায় আসামি ছিলেন ১৪ জন। বিচার চলাকালে আসামি সুরুক মিয়া, রাজা মিয়া ও ফারুক মিয়া মারা যান। ফলে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলায় ২৫ সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
আইনজীবী আব্দুল মতিন বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
এ ছাড়া এ মামলায় মহিবুর রহমান অমৃতকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, জয়নাল মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। এ ছাড়া পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবী বলেন, “আমরা মনে করি, এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে নিহতের ভাই হেলাল মিয়া বলেন, ঘটনার এক সপ্তাহ পরেই সাবানা বেগমের লন্ডনে স্বামীর কাছে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই তাকে হত্যা করা হয়।
দর্শা মন্তনী এলাকায় বাঁশঝাড়ের ভিতরে গাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া তিনটি গোলাকার হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উদ্ধার হয়েছে ১৯৫টি ইয়াবা ও চার গ্রাম হেরোইন।
আগামী মাসেই জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আশা করছে কর্তৃপক্ষ।