হোমপেজ লোড হচ্ছে…

রাঙামাটির সাজেক এলাকায় পাহাড়ি দুই আঞ্চলিক সশস্ত্র দলের আধিপত্য বিস্তার ও দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ সংকট নিরসনে এবং টানা চারদিন ধরে চলা সড়ক অবরোধ তুলে নিতে প্রশাসনের উদ্যোগে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে হেডম্যান ও কারবারিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা সাজেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সোমবার আলোচনায় বসবেন।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এ সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা। এতে খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এবং রাঙামাটি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির সদস্যরা হলেন-সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি ভবতোষ দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা এবং লংগদু হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা কল্যাণ মিত্র চাকমা।
মতবিনিময় সভা শেষে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আজকে রাঙামাটি জেলার হেডম্যান-কারবারিদের নিয়ে আলোচনা করেছি। সাজেকে সৃষ্ট ঘটনা সমাধানে তাদের মাধ্যমে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
“সাজেকে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে।”
তিনি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, সাজেক এলাকা একসময় একটি আঞ্চলিক দলের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এখন সেখানে আরেকটি আঞ্চলিক দল প্রবেশ করেছে। আগের দলটির দাবি, বর্তমানে সেখানে প্রবেশ করা দলটিকে নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে সাজেক থেকে বের করে দিতে হবে।”
“এখন নিরাপত্তা বাহিনী মাধ্যমে বের করে দিতে হলে উভয় দলকে বের দিতে হবে। কারো দাবির মুখে কাউকে বের করে দেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ উভয় দুটি সংগঠন হলো সশস্ত্র সংগঠন। এখন পুরো বিষয়টি প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী বিবেচনা করছে এবং সেখান থেকে সশস্ত্র দলগুলোকে সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
সভায় রাঙামাটি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, “সাজেকের বিষয়টি আলোচনা মাধ্যমে সমাধানে সম্ভব। আমরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাই। সে কারণে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি খুব শীঘ্রই এটা সমাধান হবে।”
মতবিনিময় সভায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন সহ জেলার হেডম্যান ও কারবারিরা উপস্থিত ছিলেন।
সাজেক সড়কে অবরোধ অব্যাহত
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াতের সড়কে টানা চতুর্থ দিনের মতো অবরোধ চলছে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রোববার সকাল ৬টা থেকে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের ১০ নম্বর এলাকা, হাজাছড়া ও মাচালংয়ের ১৪ কিলোসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ পালন করছেন আন্দোলনকারীরা।
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমা বলেন, “চতুর্থ দিনের মতো আমাদের অবরোধ কর্মসূচি চলছে। সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের ১০ নম্বর এলাকা, হাজাছড়া ও মাচালংয়ের ১৪ কিলোসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে শান্তিপূর্ণ অবরোধ পালন করা হচ্ছে। আমাদের অবরোধ কর্মসূচি চলমান থাকবে।”
সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সাজেক সড়কে শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ চলছে। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার রয়েছে।
সবুজ কবির: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাগানপাড়া গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানে শরিফুল ইসলাম টোটন (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। পরে সামারী ট্রায়াল কোর্টে তাৎক্ষণিক বিচারে তাঁকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে
“শিশু হাসপাতালের কাছে ওই ব্যবসায়ী সহায়তা চাইলে পুলিশ অপহরণের বিষয়টি জানতে পারে,” বলেন শেরেবাংলা নগর থানার ওসি।
এর আগে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই দুই রুটে ফ্লাইট বন্ধ রাখে বিমান। এবার তার সঙ্গে আরও নয় দিন যোগ হলো।
কেরাণীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের রসুলপুর বাজার এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়ার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার হয়।