হোমপেজ লোড হচ্ছে…
অ্যানেসথেসিয়ার পর নাক দিয়ে ক্যানুলা প্রবেশ করানোর সময় শিশুটির শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় বলে ভাষ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার সাভারে একটি হাসপাতালে নাকের পলিপাসের অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে নয় বছরের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর হাসপাতালের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর করেন স্বজনরা।
বুধবার দুপুরে উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকার ‘আব্বাস স্পেশালাইজড হাসপাতাল লিমিটেডে’ এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন।
মৃত আবরাহাম মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার রাজনগর নোয়াদ্দা এলাকার দুবাই প্রবাসী আল আমিনের ছেলে।
শিশুটির মামা রুবেল বলেন, বুধবার সকালে নাকের পলিপাসের অস্ত্রোপচারের জন্য আবরাহামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপরে তাকে অস্ত্রোপচারের জন্য নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকেরা জানান, তার অবস্থার অবনতি হয়েছে এবং তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরে সেখানে গিয়ে আবরাহামের মৃত্যুর খবর পাওয়ার দাবি করেন শিশুটির চাচা আমিনুর রহমান। ভুল চিকিৎসার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।
এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালের অভ্যর্থনাকক্ষসহ কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এ বিষয়ে জানতে আব্বাস স্পেশালাইজড হাসপাতালের মালিক আব্বাস উদ্দিনকে মোবাইল করা হলে তিনি ধরেননি।
হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পরিচয়ে মজিবুর রহমান বলেন, অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর নাক দিয়ে ক্যানুলা প্রবেশ করানোর সময় শিশুটির শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্মীরা তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন বলেন, শিশুটির মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফজলে বারী বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। শিশুটির স্বজনেরা লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।