হোমপেজ লোড হচ্ছে…
জরুরি প্রয়োজনে তারা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের বাদশা ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় ঢাকা থেকে দাম্মামগামী রুটের তিন দিনের সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবরের সব ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এয়ারলাইন্সটি।
কিছুদিন বন্ধ থাকার পর বুধবার দাম্মামের ফ্লাইট পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বিমান।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বুধবার ঢাকা থেকে একটি ফ্লাইট ছেড়েও যায় দাম্মামে; ফিরতি ফ্লাইটটি এখনো উড্ডয়নরত অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ১০ মিনিটে ফ্লাইটটির শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এ ছাড়া চলমান হামলার পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৫ অক্টোবর থেকে চালুর ঘোষণা দেওয়া রিয়াদ রুটেও ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিমান বলেছে, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং সংশোধিত যাত্রাসূচি যথাসময়ে জানানো হবে।
অন্যদিকে, ঢাকা থেকে জেদ্দা ও মদিনাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটগুলো পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলমান থাকবে।
জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাওয়া এবং বাংলাদেশে ফেরত আসতে পারবেন।
টিকেট ও ভ্রমণসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধও জানানো হয়েছে।
বুধবার রাতে বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
আহত প্রবাসীরা হলেন—কুমিল্লার বাঙ্গরাবাজার থানাধীন রামচন্দ্রপুর গ্রামের সজল চন্দ্র দাস এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার গোবিগল্লপপুর গ্রামের মোহাম্মদ আব্দুর রহিম।
সৌদি আরবের রিয়াদ, দাম্মামসহ কয়েকটি বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতিদের হামলায় ঢাকা থেকে ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী।
বৃহস্পতিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ঢাকা থেকে এ পর্যন্ত ৬২টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৭৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বাতিল বা স্থগিত সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৩টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।
এরমধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদে তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে। এ বিষয়ে এয়ারলাইন্সটির পক্ষ থেকে এখনো কোনো হালনাগাদ তথ্য জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, বাতিল ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের; ভারতীয় এই এয়ারলাইন্সের ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এছাড়া, ইমিরেটস এয়ারলাইন্সের ১৪টি, সালাম এয়ারের ৭টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।