হোমপেজ লোড হচ্ছে…

সিরাজগঞ্জ শহরের একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করে সংসার চালায় নাঈম নামের ১৪ বছর বয়সী এক শিশু। পরিবারের আর্থিক সংকটে পঞ্চম শ্রেণিতেই স্কুল ছাড়তে হয় তাকে।
হ্যালো ডট কে নাঈম জানায়, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় এক দুর্ঘটনায় তার বাবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এতে পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস বন্ধ হয়ে যায়। সংসারে আর্থিক সংকট দেখা দেওয়ায় বাধ্য হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে কাজে নামতে হয় তাকে।
সে বলে, “এরপর পরিবারের খরচ জোগাতে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় চলে যাই। সেখানে একটি পোশাক কারখানায় কাজ নিই। কিন্তু বয়সের তুলনায় শারীরিক সক্ষমতা কম থাকায় সেই কাজ ছেড়ে দিতে হয়।”
পরে সিরাজগঞ্জে ফিরে এসে রেস্তোরাঁয় কাজ নেয় সে। এখানে রোজ ১০ ঘণ্টা করে কাজ করতে হয় তাকে।
নাইম জানায়, পড়াশোনা করে বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার। এখনো স্কুলে ফিরতে এবং বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে ইচ্ছে করে। কিন্তু দীর্ঘ সময় কাজ করায় সেই সুযোগ পায় না সে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৩। জেলা: কিশোরগঞ্জ।
গত বছরের ২ নভেম্বর তাদের বিচার শুরু হয়।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে মিরপুরে এ যানজটের কারণে অনেককেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
“এর আগেও তো নারীদের জন্য আলাদা বাস চালু হয়েছিল। কিছুদিন পর আর দেখা যায়নি। এবারও শুরুতে অনেক প্রচার হচ্ছে। কিন্তু ছয় মাস পরও বাসগুলো রাস্তায় থাকবে কি না, সেটাই দেখার বিষয়,” বলেন এক নারী যাত্রী।