হোমপেজ লোড হচ্ছে…
তখন তিনি বুঝতে পারেননি, ১৯৭৫ সালের ২৯ জুন, রোববার, দিনটি কম্পিউটারের ইতিহাসে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। সেদিনই প্রথমবারের মতো কেউ কি–বোর্ডে একটি অক্ষর টাইপ করে নিজের সামনেই পর্দায় সেটি দেখতে পেয়েছিলেন।
এনডিটিভি

১৯৭৬ সালে তৈরি অ্যাপলের প্রথম কম্পিউটারগুলোর একটি এখনো সচল। বিরল এই কম্পিউটার সম্প্রতি নিলামে বিক্রি হয়েছে ১১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কম্পিউটারটির সঙ্গে ছিল অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের সই করা একটি চিঠি এবং আরেক সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওজনিয়াকের স্বাক্ষর।নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘হ্যাটফিল্ড’ অ্যাপল-১ নামে পরিচিত কম্পিউটারটি নিয়ে নিলামে চলে টান টান প্রতিযোগিতা। দুই ক্রেতার মধ্যে ২৮ মিনিট ধরে চলে দর-কষাকষি। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দর দিয়ে কম্পিউটারটি কিনে নেন একজন।আন্তর্জাতিক নিলাম প্রতিষ্ঠান বনহামস জানিয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হওয়া অ্যাপল-১ কম্পিউটারের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ দামে বিক্রির বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।বনহামসের পরিচালক ইয়ান এলিং বলেন, ‘কম্পিউটারের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন এই হ্যাটফিল্ড অ্যাপল-১-এর বিক্রিতে আমরা আনন্দিত। অ্যাপলের ৫০ বছর পূর্তির বছরে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম পণ্যটি নিলামে তোলার সুযোগ পাওয়া ছিল সম্মানের।’কম্পিউটারে ওজনিয়াকের স্বাক্ষরকম্পিউটারটির প্রতি সংগ্রাহকদের আগ্রহের বড় কারণ এর ইতিহাস। কম্পিউটারটির মূল সার্কিট বোর্ডে রয়েছে স্টিভ ওজনিয়াকের নিজের হাতে করা স্বাক্ষর। ১৯৭৬ সালে তিনি একাই কম্পিউটারটির হার্ডওয়্যার নকশা তৈরি ও নির্মাণ করেছিলেন। অন্যদিকে স্টিভ জবস তখন তাঁদের নতুন ব্যবসার বাণিজ্যিক দিকটি সামলাচ্ছিলেন।তবে নিলামে শুধু কম্পিউটারটিই বিক্রি হয়নি। এর সঙ্গে ছিল ১৯৭৮ সালে টাইপ করা স্টিভ জবসের সই করা একটি চিঠি। কম্পিউটারটির প্রথম মালিক ফ্রেড হ্যাটফিল্ডকে লেখা ওই চিঠিতে নতুন মডেল অ্যাপল-২-তে উন্নীত হওয়ার সুযোগের কথা জানানো হয়েছিল।এ ছাড়া প্যাকেজে ছিল কম্পিউটারটির মূল ব্যবহারবিধি, বিভিন্ন হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ এবং ‘অ্যাপল-১ ওনার্স ক্লাব’-এর সদস্য হওয়ার জন্য টাইপ করা একটি আমন্ত্রণপত্র। এটি ছিল অ্যাপল-১ কম্পিউটারের মালিকদের নিয়ে গঠিত বিশেষ একটি ক্লাব।যানজট এড়াতে উড়ে অফিসে যান তরুণকম্পিউটারের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এক যন্ত্রঅ্যাপল-১-এর সরকারি নিবন্ধনে এই কম্পিউটারটির ক্রমিক নম্বর ৪৮। প্রাথমিক পর্যায়ে তৈরি হওয়া কম্পিউটারগুলোর মধ্যে বর্তমানে টিকে আছে ৭৫টির কম। ফলে সচল অবস্থায় থাকা এই যন্ত্র প্রযুক্তির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।অ্যাপল-১ তৈরির শুরুর সময়ের অভিজ্ঞতা নিজের স্মৃতিকথা আইওজ (iWoz) বইয়ে তুলে ধরেছেন স্টিভ ওজনিয়াক। তিনি লিখেছেন, ‘আমি কি–বোর্ডে কয়েকটি বোতাম চাপলাম, আর বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম!’ওজনিয়াকের ভাষ্য অনুযায়ী, তখন তিনি বুঝতে পারেননি, ১৯৭৫ সালের ২৯ জুন, রোববার, দিনটি কম্পিউটারের ইতিহাসে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। সেদিনই প্রথমবারের মতো কেউ কি–বোর্ডে একটি অক্ষর টাইপ করে নিজের সামনেই পর্দায় সেটি দেখতে পেয়েছিলেন।প্রযুক্তির ইতিহাসে সেই মুহূর্ত ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আর সেই ইতিহাসেরই একটি সচল স্মারক আজ বিক্রি হলো কোটি টাকার বেশি দামে।পোকামাকড়ের চলার কৌশলে মিলছে মানুষের সমাধান
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।