হোমপেজ লোড হচ্ছে…

স্পেনে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছে। আরও ৮০ জন আহত হয়েছে এবং তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
এ নিয়ে গত এক বছরেরও কম সময়ে দু'টি প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটল স্পেনে। আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদ্রিদ এবং দক্ষিণের আনদালুসিয়াকে সংযোগকারী রেললাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বুধবার।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে দেখা গেছে, ট্রেনের একটি কামরা রেললাইনের উঁচু অংশে উল্টে পড়ে আছে। রেলের নিচু এবং ঢালু জমিতে দুমড়ে মুচড়ে পড়ে আছে আরও ধ্বংসাবশেষ।
ট্রেনের ধাতব অংশ, প্যানেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা। ট্রেনের যাত্রী ছিলেন মিগুয়েল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন তিনি।
মিগুয়েল জানিয়েছেন, সহকর্মীদের সঙ্গে যাত্রা করছিলেন তিনি। ট্রেনের পেছনের কামরায় ছিলেন। হঠাৎ তীব্র শব্দ শোনেন। ট্রেন টলতে শুরু করে। ডান দিকের জানলা দিয়ে তিনি দেখতে পান, ভেঙেচুরে গেছে সামনের অংশ।
অন্য ট্রেনটির ওই দশা হয়েছিল বলে প্রথমে মনে করেছিলেন তিনি। পরে দেখেন তার ট্রেনটিই পুরো দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।
স্থানীয় কাস্তিয়া-লা মাঞ্চান আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ১০ জন ছিল। পরে তা বেড়ে ৩০ জন হয়। এবার তা আরও বেড়ে ৬৪ টিতে পৌঁছল।
ট্রেনের একাধিক কামরা রেললাইন থেকে নিচে পড়ে গেছে। যে দু'টি ট্রেনের মধ্যে ধাক্কা লেগেছে, সেটির একটি আইরো এবং অন্যটি রেনফে। আইরোতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং রেনফেতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী।
এর মাত্র ৯ মাস আগেই একই রেলরাইনে দু'টি উচ্চগতির ট্রেনের মধ্যে ধাক্কা লেগেছিল স্পেনে। সেবার ৪৬ জন মারা যায়। দু'টি ট্রেনই একটি সংস্থা পরিচালনা করছিল।
ওই দুর্ঘটনার পর রেলের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে শুরু করে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেই রেশ না কাটতেই ফের বড় ধরনের ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সব কাজ বাতিল করেছেন।
তিনি লেখেন, “এমন গুরুতর ট্রেন দুর্ঘটনায় আমি স্তম্ভিত। নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। আমরা সবার পাশে থাকব।”
নভম্বরের নির্বাচনের আগে বিরোধী দলগুলোও আপাতত প্রচারকাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং ক্রুদেরকে অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ দ্বিতীয়’ দেওয়া হয়।
চক্রটি কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের টার্গেট করে এই হুন্ডি ব্যবসা চালাত।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
আফগানিস্তানের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সরকারের এই পদক্ষেপের কারণে প্রতিবছর শত শত অন্ধ মানুষ দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।