হোমপেজ লোড হচ্ছে…

দেশে গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২৪৯ জনের মৃত্যু হল।
এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১ হাজার ১৪৪ জন। এছাড়া হাম শনাক্ত হয়ে মারা গেছে ১০৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বৃহস্পতিবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৪ জন ও চট্টগ্রাম, খুলনা এবং বরিশাল বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৫১১ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ২০১ জন, চট্টগ্রামে ১১০, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৯, বরিশালে ৬৮, খুলনায় ৫৫ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ২৫১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪ জনের শরীরে।
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৪৯ জন; যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৮৮ জন, চট্টগ্রামে ২৫৭, সিলেটে ১২৭, বরিশালে ১০০, খুলনায় ১২২, ময়মনসিংহে ৯১, রংপুরে ৩৬ ও রাজশাহীতে ২৮ জন।
বুলেটিন অনুসারে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৪৬৮ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে মোট ২৩ হাজার ৬৯৫ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব রাখে। যদিও হাসপাতালে আসা কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হাম পরীক্ষা হয় না। ফলে সরকারি হিসাবের বাইরে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা জানা কঠিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে শুধু হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হয়।
গ্রন্থাগারে বই তিনটি সংরক্ষণ করতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
সরকারের হিসাবে, চলতি বছর এ নিয়ে ডেঙ্গুতে ৪১৫ জনের প্রাণ গেল।
হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্তের কথা বলেছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতি।
হাসপাতালে পার্কিংয়ের জায়গার দাবিতে মঙ্গলবার এ ধর্মঘটের ডাক দেয় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা।