হোমপেজ লোড হচ্ছে…
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে মোট ১২২২ জনের মৃত্যু হল।

দেশে গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে মোট ১২২২ জনের মৃত্যু হল। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১১১৮ জন।
নিশ্চিতভাবে হাম নিয়ে মারা গেছে ১০৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩ জন মারা গেছেন। এছাড়া সিলেট বিভাগে ২, চট্টগ্রামে ২ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০১ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৯৯ জন, চট্টগ্রামে ১০৫, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৭, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ১৪ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে ৫১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৮১ জন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৮৪ জন, চট্টগ্রামে ২২৪, সিলেটে ১২৫, বরিশালে ৯১, খুলনায় ৭০, ময়মনসিংহে ৪৯, রংপুরে ২৬ ও রাজশাহীতে ১২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৫১৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব রাখে। যদিও হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হাম পরীক্ষা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা জানা কঠিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে শুধু হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হয়।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে মোট ১২২২ জনের মৃত্যু হল।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি, ৪৯৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে।
এইডিস মশাবাহিত এ রোগে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ৩৭১ জনের প্রাণ গেছে।