হোমপেজ লোড হচ্ছে…

দেশে গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১ হাজার ১২৩ জন। এছাড়া নিশ্চিতভাবে হাম নিয়ে মারা গেছে ১০৪ জন। অর্থাৎ হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২৭ জনের মৃত্যু হল।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং ঢাকা বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০২ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ২০০ জন, চট্টগ্রামে ১০৭, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৮, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ২৮০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে ৭৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৮৯ জন। যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৬৭ জন, চট্টগ্রামে ২১৯, সিলেটে ১২২, বরিশালে ১৩৫, খুলনায় ৭৫, ময়মনসিংহে ১০৫, রংপুরে ৩৬ ও রাজশাহীতে ৩০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৪ জন।
বুলেটিন অনুসারে চলতি বছর হাম উপসর্গে রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ২১ হাজার ১৬৪ জন। যার মধ্যে ২৩ হাজার ৪০০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব রাখে। যদিও হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হাম পরীক্ষা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা জানা কঠিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে শুধু হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হয়।
“শিশু হাসপাতালের কাছে ওই ব্যবসায়ী সহায়তা চাইলে পুলিশ অপহরণের বিষয়টি জানতে পারে,” বলেন শেরেবাংলা নগর থানার ওসি।
এর আগে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই দুই রুটে ফ্লাইট বন্ধ রাখে বিমান। এবার তার সঙ্গে আরও নয় দিন যোগ হলো।
কেরাণীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের রসুলপুর বাজার এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়ার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার হয়।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে যেসব স্টেশনে ট্রেনটি থামত, তারমধ্যে শুধু কুমিরাতে আর থামবে না।