হোমপেজ লোড হচ্ছে…
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনকে আগে অবহিত না করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি প্রতিবাদও জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তাদের অধিকার ও আইনি সুরক্ষায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ‘যথাযথ উদ্যোগ’ নিয়েছিল কি না, তা পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)।
সংগঠনটি বলেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বাংলাদেশ মিশনকে সৌদি কর্তৃপক্ষের অবহিত না করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা দিয়ে কনস্যুলেটের নিজস্ব ভূমিকা ও দায়িত্বের প্রশ্নের ‘নিষ্পত্তি হয় না’।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনকে আগে অবহিত না করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা দুজনেই সৌদি আরবের আল মাজাল কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। একজনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, অপরজনের টাঙ্গাইলে।
একজন সাইবার বা তথ্যপ্রযুক্তি আইন লঙ্ঘনের এবং আরেকজন ব্যভিচারের অভিযোগে আটক হয়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে বন্দি ছিলেন।
ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম কল্যাণ উইংয়ের গত ১৮ অক্টোবরের এক চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশি পুরুষটি ২০২৩ সালের ১ অগাস্ট গ্রেপ্তার হন। তাকে রাখা হয়েছিল জেদ্দা সংশোধনাগারে। আর ওই বছরের ২ অগাস্ট গ্রেপ্তার বাংলাদেশি নারীকে রাখা হয়েছিল জেদ্দা মহিলা কারাগারে।
শ্রম কল্যাণ উইং বলছে, মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজে লিপ্ত’ হওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেও তাদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ।
তবে ওই ঘটনার আগে সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় নানা অপরাধের অভিযোগে আটক বাংলাদেশিদের তথ্য চেয়েছিল জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই অনুরোধের পর চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর একটি তালিকা দেওয়া হয়। সেই তালিকায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের নাম-পরিচয় থাকলেও শাস্তির কোনো তথ্য ছিল না।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া এসব তথ্য তুলে ধরে এইচআরএফবি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল- ৩০ সেপ্টেম্বর তালিকাটি পাওয়ার পর কনস্যুলেট এই দুই নাগরিকের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে কী উদ্যোগ নিয়েছিল?
“অন্য বন্দিদের সাজার তথ্য উল্লেখ থাকলেও তাদের ক্ষেত্রে ঘর ফাঁকা থাকার কারণ অনুসন্ধান করা হয়েছিল কি না। সেইসঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ কনসুলেট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় স্বপ্রণোদিত কোনো উদ্যোগ নিয়েছিল কিনা, না হলে কেন কোন পদক্ষেপ নেয়া হল না?”
তাদের বিরুদ্ধে কী রায় দেওয়া হয়েছিল এবং কী সাজা দেওয়া হয়েছিল, তা জানতে সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল কি না, এসব বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে সংগঠনটি।
একইসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারকে কূটনৈতিক পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি উত্থাপন করে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি ও পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা সংগ্রহ করার দাবি জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কূটনৈতিক মিশনগুলোর ‘সক্রিয় ভূমিকা’ রাখার কথা বলছে এইচআরএফবি।
বস্তুত জীবনানন্দ দাশের কবিতার জাদু, গভীরতা এবং নান্দনিকতাই তাঁকে ‘কবিদের কবি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা শুধু পাঠের জন্য নয় বরং অনুভব এবং বিশ্লেণের জন্যও। তিনি এমন এক কবি, যিনি বাংলা কবিতাকে শুধু সমৃদ্ধ করেননি, বরং তাকে নিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রায়।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ময়লা ভাগাড়ের (স্যানিটরি ল্যান্ডফিল) একটি অংশ ঢেকে গেছে সবুজে। স্থানীয় কিছু লোকজন সেখানে জায়গা সমান করে চাষ করেছেন সবজি। পাট শাক, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমি শাকসহ নানা রকমের সবজি চাষ হচ্ছে ময়লার স্তূপ ও তার তার আশপাশে।
আহতদের মধ্যে শিশুটির মা-বোন ও এক বিজিবি সদস্য আছেন।
আপাতত তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা-বাগান, মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য ও সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।