হোমপেজ লোড হচ্ছে…
এবার ১৮টি পূজামণ্ডপে বাংলাদেশিরা দুর্গোৎসবের আয়োজন করেছে।
নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক বন্ধন ভেঙে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।
তিনি বলেন, “অসুরেরা থেমে নেই। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার সংকল্প নিয়ে দুর্গাপূজা এসেছে।”
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে ওঁম শক্তি মন্দিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দুর্গোৎসবের সমাপনী আয়োজনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্দিরে মেয়রকে মন্দিরে স্বাগত জানান এর প্রতিষ্ঠাতা গৌরাঙ্গ কুন্ডু, মন্দির কমিটির সভাপতি স্বরূপ সাহা ও সাধারণ সম্পাদক ভবতোষ পাল। তারপর তাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়।
এবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারসহ কুইন্স, ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, ম্যানহাটান ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের ১৮টি পূজামণ্ডপে বাংলাদেশিরা দুর্গোৎসবের আয়োজন করেছে।
মামদানি বলেন, “দেবী দুর্গাকে পূজা করা হয় অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভশক্তির প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে। সেই বিশ্বাস থেকেই বাংলাদেশি হিন্দুরা শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় দুর্গোৎসবে সমবেত হয়েছেন। বহুজাতিক এই শহরকে আরও বর্ণাঢ্য ও সমৃদ্ধ করে তুলতে বাংলাদেশি হিন্দুদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
উৎসবে আরও বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি অশোক কর্মকার, অধ্যাপক দ্বীজেন ভট্টাচার্য, সিটি কাউন্সিলম্যান শেকর কৃষ্ণান এবং আয়োজকদের অন্যতম দীনেশ মজুমদার।
দীনেশ মজুমদার বলেন, “বাঙালি হিন্দুদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজনের বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যেই টাইমস স্কয়ারে দুর্গোৎসব আয়োজনের জনপ্রিয়তা ক্রমে বাড়ছে।”
অং সান সু চির ছেলে কিম অ্যারিস লন্ডনে মিয়ানমার দূতাবাসের মাধ্যমে টেলিফোনে মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সমর্থিত প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র।
অং সান সু চির ছেলে কিম অ্যারিস লন্ডনে মিয়ানমার দূতাবাসের মাধ্যমে টেলিফোনে মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সমর্থিত প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র।