হোমপেজ লোড হচ্ছে…
সীমান্তের প্রধান ৮৩৭ নম্বর পিলারের ৪ নম্বর উপ-পিলারের কাছে সানিয়াজান নদীতে পাথর ও বালু তুলছিলেন কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে শূন্যরেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকে স্থানীয় শ্রমিকদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের বিরুদ্ধে।
রংপুর ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি-অবস) কারিমুল ইসলাম বলেন, শনিবার বিকালে বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত না হলেও সীমান্তবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিজিবি ও স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান ৮৩৭ নম্বর পিলারের ৪ নম্বর উপ-পিলারের কাছে সানিয়াজান নদীতে পাথর ও বালু তুলছিলেন কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক।
সে সময় ভারতের ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বিএসবাড়ী ক্যাম্পের ১০-১২ জনের একটি টহল দল শূন্যরেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশ অংশে প্রায় ১৫০ গজ ভেতরে চলে আসেন। বিএসএফ সদস্যরা নদীতে নেমে শ্রমিকদের মারধরের চেষ্টা করেন। তখন শ্রমিকদের চিৎকারে স্থানীয় ১৫-২০ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিএসএফ সদস্যরা একটি সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে সটকে পড়েন।
খবর পেয়ে বুড়িমারী কোম্পানি সদরের বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
রংপুর ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম বলেন, “ভয় দেখানোর জন্য বিএসএফ একটি সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। বিজিবির পক্ষ থেকে ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রটেস্ট নোট’ পাঠানো হয়েছে।”
এদিকে সন্ধ্যায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত পতাকা বৈঠকে বিএসএফ প্রতিনিধি দল সীমান্ত অতিক্রম কিংবা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের বিষয়টি অস্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
অপরাধ দমনে চলমান বিশেষ অভিযানের মধ্যে খুলনা সফর করছেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ অগাস্ট শেষ হয়।
ফিরোজ কালমা ইউনিয়ন (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
এলাকার খেলার মাঠগুলোতে ছেলেদের খেলতে দেখা গেলেও মেয়েদের উপস্থিতি চোখে পড়ে না বললেই চলে। অথচ খেলাধুলার প্রয়োজন মেয়েদেরও।