হোমপেজ লোড হচ্ছে…

গাজীপুরের কাশিমপুরে ‘ঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে’ একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
দগ্ধদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা।
আহতদের স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার বলেন, দগ্ধদের মধ্যে রিয়াজুল শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার শরীরের প্রায় ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
এছাড়া রিয়াজুলের স্ত্রী আরিফা বেগমের (৩৫) শরীরের ৫ শতাংশ, মেয়ে ফারিয়ার ৮ শতাংশ, পুত্রবধূ রোজিনার ১ শতাংশের কম এবং শিশু রহিমের ১ শতাংশের কম পুড়ে গেছে।
দগ্ধ রিয়াজুল শেখের বাবার নাম কালা মিয়া শেখ। গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানার কেষ্টপুর গ্রামে। সারদাগঞ্জ স্কয়ার গেটসংলগ্ন এলাকায় একটি বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
রিয়াজুল শেখের পুত্রবধূ রোজিনা বেগম বলেন, “আমরা যে জায়গায় থাকি, সেখানে তিনটি রুম। আমরা দুই রুমে পরিবারের সবাই থাকি। পাশের আরেকটি ‘পকেট রুম’ রয়েছে, সেখানে এক দম্পতি থাকেন। ভোরে তারা কাজে বেরিয়ে পড়েন।
“সকালে আমার শাশুড়ি তাদের রুমের সামনে বসে ফোন দেখছিলেন। হঠাৎ গ্যাসের গন্ধ পেয়ে তা ওই দম্পতিকে জানানো হয়। পরে আমার শ্বশুর-শাশুড়ি এবং আমার ননদ চাবি নিয়ে তাদের ঘরের দরজা খুলতেই ঘর থেকে গ্যাসের তীব্র গন্ধ বের হয়। পরে ঘর অন্ধকার থাকায় আমার শ্বশুর লাইট জ্বালাতে যান। সুইচ দেওয়া মাত্রই বিস্ফোরণ ঘটে।”
রোজিনা বেগম বলেন, ওই ঘরে গ্যাসের সিলিন্ডার ছিল। সেখানে লিকেজের কারণে বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে।
“আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে”, বলেন তিনি।
শাহজালাল বিমানবন্দরে গত বুধবার বিকালে দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন ওই দুই জন।
যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে যথাসময়ে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ছাড়তে পারেনি।
কমলাপুর রেলস্টেশনে কুলির কাজ করে রাসেল নামের ১৩ বছর বয়সী এই শিশু।