হোমপেজ লোড হচ্ছে…

প্রযুক্তি ও আধুনিকতার নানা অগ্রগতি সত্ত্বেও বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে এখনও একটি বড় সমস্যা। সামাজিক এই ব্যাধি প্রতিরোধে শুধু পরিবারকে সচেতন করাই যথেষ্ট নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ভূমিকাতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মনে করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক লায়লা আশরাফিন।
হ্যালো ডট ের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, মেয়েশিশুর প্রতি পরিবারের দৃষ্টিভঙ্গি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, ধর্মীয় শিক্ষায় নারীর অবস্থান এবং রাষ্ট্রের নীতিমালা ও আইনের প্রয়োগ, সবকিছুই বাল্যবিয়ে প্রতিরোধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
লায়লা আশরাফিনের মতে, পিতৃতান্ত্রিক পারিবারিক কাঠামোয় অনেক সময় ছেলেশিশুর তুলনায় মেয়েশিশুকে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল ও প্রান্তিক পরিবারের মেয়েরা নানা সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ে। তাদের শিক্ষা, স্বাধীনতা ও নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও মেয়েদের প্রতি সম্মান ও সমান মর্যাদার মনোভাব গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে মনে করেন এই অধ্যাপক। একইভাবে, ধর্মীয় শিক্ষায় নারীর মর্যাদা, জ্ঞানচর্চা ও স্বাধীনতার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা দরকার বলে মনে করেন তিনি।
রাষ্ট্রের দায়িত্বের বিষয়ে লায়লা আশরাফিন বলেন, নারীর অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি মেয়েদের সুরক্ষায় প্রচলিত আইন কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, তা পর্যালোচনা করা জরুরি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: সিলেট।
“আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে”, বলেন তিনি।
শাহজালাল বিমানবন্দরে গত বুধবার বিকালে দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন ওই দুই জন।
যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে যথাসময়ে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ছাড়তে পারেনি।
কমলাপুর রেলস্টেশনে কুলির কাজ করে রাসেল নামের ১৩ বছর বয়সী এই শিশু।