হোমপেজ লোড হচ্ছে…

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রায় ৪২ শতাংশ ভোট গণনার পর দেখা গেছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থি জোট ৫৭টি আসনে এগিয়ে আছে, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ‘চেঞ্জ ব্লক’ এগিয়ে আছে ৪৭টি আসনে।
১২০ আসনের পার্লামেন্টের বাকি ১৬টি আসনে আরব দলগুলোর প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর, হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েলে এটিই প্রথম ভোট। এ নির্বাচনে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি অন্য ডানপন্থি মিত্রদের সঙ্গে জোট বেঁধেছে। কট্টর ডানপন্থি এই জোটকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মধ্যপন্থি ইয়াশার পার্টির প্রধান আইজেনকোটের নেতৃত্বে জোট বেঁধেছে আদর্শিক ও রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শের আরও কয়েকটি দল।
ইসরায়েলের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট গণনার পর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি নেতানিয়াহুপন্থি জোট ৫৭টি আসনে, নেতানিয়াহুবিরোধী জোট ৪৭ আসনে আর আরবদের নেতৃত্বাধীন দল জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম বাকি ১৬টি আসনে এগিয়ে আছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বুথ ফেরত জরিপগুলোতে দেখা গেছে, এই নির্বাচনে কোনো জোটই নিরঙ্কুশ জয় পাবে না।
ইসরায়েলের দুটি সম্প্রচারমাধ্যম পূর্বাভাস দিয়েছে যে, আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি ও তার নেতৃত্বাধীন ‘চেঞ্জ ব্লক’-এর অন্তর্ভুক্ত অন্য তিনটি ইহুদি বিরোধীদল ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে (পার্লামেন্ট) ৫১টি আসন পেতে পারে আর নেতানিয়াহুর জোটও ৫১টি আসন পাবে। তৃতীয় আরেক সম্প্রচারমাধ্যম বলেছে, নেতানিয়াহুর জোট আরও তিনটি আসন বেশি পাবে।
হাড্ডাহাড্ডি এ লড়াইয়ের পর নেতানিয়াহুর জোট ক্ষমতায় থাকবে না আইজেনকোটের জোট ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, ক্ষমতায় কে আসবে তা নির্ধারিত হতে পারে আরব দলগুলোর সমর্থন কোন পক্ষে যাবে তার উপর। আরব দলগুলো ১৮ থেকে ১৯টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবারের নির্বাচনে কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে। ইসরায়েলের স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার সময় এটি ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি জানিয়েছে, ১৯৯৯ সালের পর থেকে এটিই সর্বোচ্চ।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং ক্রুদেরকে অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ দ্বিতীয়’ দেওয়া হয়।
চক্রটি কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের টার্গেট করে এই হুন্ডি ব্যবসা চালাত।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।