হোমপেজ লোড হচ্ছে…
ফরাসি ক্লাবটির কোচের মতে, সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার দলের।
নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা দুইবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী পিএসজি এবারও ছুটছে দুর্বার গতিতে। শতভাগ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে সবার ওপরে তারা। এর জন্য দলের খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দিয়েছেন লুইস এনরিকে। ফরাসি ক্লাবটির কোচের কাছে তো তার ফুটবলাররা বিশ্বের সেরা।
প্যারিসে মঙ্গলবার বার্সেলোনাকে ৪-২ গোলে হারায় পিএসজি। এখন পর্যন্ত এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সব ম্যাচেই জিতেছে তারা।
স্লোভান ব্রাতিস্লাভাকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে ইউরোপের সেরার মুকুট ধরে রাখার অভিযান শুরু করে পিএসজি। পরের ম্যাচে শক্তিশালী ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিকে ৪-২ গোলে হারায় তারা। একই ব্যবধানে এবার হারাল টানা দুইবারের স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নদের।
ঘরের মাঠে এদিন দাপুটে শুরু করা পিএসজি দেজিরে দুয়ের দারুণ গোলে এগিয়ে যায়। পরে সমতা ফেরান বার্সেলোনা ডিফেন্ডার শাভি এস্পার্ত। লুকাস এরনঁদেজের গোলে ফের এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা, কিন্তু এবারও ব্যবধান ধরে রাখতে পারেনি তারা। চমৎকার গোলে ফের সফরকারীদের ম্যাচে ফেরান লামিন ইয়ামাল।
প্রতিপক্ষের ওপর চাপ ধরে রেখে খানিক পরই পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে আরও দুটি গোল করে পিএসজি। জালের দেখা পান ভিতিনিয়া ও ফাবিয়া রুইস।
ম্যাচ শেষে দলের খেলোয়াড়দের স্তুতিতে ভাসান এনরিকে।
“আমার দলে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়রা আছে, আর আমি সেটাই মনে করি। আমার কাছে তারাই সেরা। আমার দলের খেলোয়াড়দের চেয়ে ভালো কেউ নেই।”
এরপর ম্যাচে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেন পিএসজি কোচ। স্প্যানিশ এই কোচের মতে, সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার দলের।
“ফলাফল দিয়ে ম্যাচের পারফরম্যান্স বিচার করা যায় না। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো, রক্ষণে দল প্রথমার্ধে অসাধারণ ফুটবল খেলেছে। প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে আমরা অনেকবার বলের দখল ফিরে পেয়েছি। আরও বেশি গোল করার সুযোগও তৈরি করেছি।
“বার্সেলোনা যখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, তখনও আমরা কঠিন পরিস্থিতি সামলে উঠতে পেরেছি। মাঠে যা ঘটে, তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে আমাদের দল। আমরা পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছিলাম। এতে বোঝা গেছে, আমরা কেমন দল এবং যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য আমাদের আছে।”
বার্সেলোনার প্রশংসাও করতে ভোলেননি এনরিকে। তবে নিজেদের ঘরানায় খেলে জিততে পারার আনন্দ ঝরে তার কণ্ঠে।
“পিএসজিকে সব সময় যেমন দেখি, এবারও তেমনই দেখছি। এটাই আমাদের খেলার ধরন- আক্রমণাত্মক ফুটবল। সমর্থকেরা সঙ্গে থাকলে চাপ তৈরি করা সহজ হয়। আমরা তাদের প্রাণশক্তি অনুভব করি। ম্যাচ জেতার এটাই সেরা উপায় বলে আমরা বিশ্বাস করি।
“একই সঙ্গে আমরা জানি, হাফিনিয়া, পেদ্রি, লামিন ইয়ামাল, ওলমোর মতো খেলোয়াড়দের বিপক্ষে খেলা কতটা কঠিন। বার্সেলোনার সামর্থ্য অবিশ্বাস্য। তাদের বিপক্ষে খেলতে গেলে সর্বোচ্চ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।”
ভারতের সাবেক লেগ স্পিনারকে কোচিং স্টাফে যোগ করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
জাতীয় দলের হয়ে আবার খেলতে ভারতের কিশোর বিস্ময়কে আরও অপেক্ষা করতে বলেছেন শ্রেয়াস আইয়ার।
কয়েক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে উসমান দেম্বেলে ও মার্কিনিয়োসকে, খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া হয়তো বাকি মৌসুমেই আর খেলতে পারবেন না।