হোমপেজ লোড হচ্ছে…

প্রথম দুই বলে দুটি চার। একটু পর পাঁচ বলের মধ্যে তিনটি ছক্কা ও একটি চার। আরেকবার ঝড়ো শুরু। তবে এবারও ইনিংস বেশিদূর টেনে নিতে পারলেন আরিফুল ইসলাম। আকবর আলি জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হলেন আরেকবার।
নেপাল প্রিমিয়ার লিগে (এনপিএল) বৃহস্পতিবার কার্নালি ইয়াকসের হয়ে বিরাটনগর কিংসের বিপক্ষে রান তাড়ায় ১২ বলে ৩২ রান করেন আরিফুল। তিনটি করে চার ও ছক্কায় গড়া এই ওপেনারের ইনিংসটি।
আগের ম্যাচে জানাকপুর বোল্টসের বিপক্ষে চার ছক্কায় তিনি করেন ২৯ বলে ৪৩ রান। আরিফুলের সতীর্থ হিসেবে খেলা আকবর ওই ম্যাচে ২ বলে করেন ১ রান। এই কিপার-ব্যাটসম্যান এবারও থামেন ১ রানেই, ৪ বল খেলে।
বাংলাদেশের এই দুই ব্যাটসম্যান দেশের বাইরের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলছেন এবারই প্রথম।
বিরাটনগরের বিপক্ষে তাদের দল পেয়েছে ৪ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়। ১৮৭ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলেছে এক বল বাকি থাকতে।
কীর্তিপুরে লোকেশ বামের ৯ ছক্কা ও তিন চারে ৫২ বলে ৮৭ রানের সৌজন্যে বড় সংগ্রহ পায় বিরাটনগর।
রান তাড়ায় প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে স্ট্রাইক পান আরিফুল। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ ক্রিকেটার চারিথ আসালাঙ্কাকে পরপর দুটি চার মেরে শুরু করেন ২১ বছর বয়সি ব্যাটসম্যান।
প্রথম ৫ বলে আরিফুল করেন ১০ রান। তৃতীয় ওভারে বাঁহাতি পেসার প্রাতিসের ওপর তাণ্ডব চালান তিনি। প্রথম দুই বলে মারেন দুটি ছক্কা। তৃতীয় বলে রান নেই। পরের বলে আরেকটি ছক্কা, পঞ্চম বলে চার।
এই ওভারে আসে ২২ রান। পরের ওভারে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন আরিফুল।
আকবর ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলে নেন এক রান। পরের ওভারে নেপালের তারকা স্পিনার সন্দিপ লামিছানের বলে বোল্ড হন ২৫ বছর বয়সি ব্যাটসম্যান।
তখন সপ্তম ওভারে ৫৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল কার্নালি। সেখান থেকে ষষ্ঠ উইকেটে পাওয়ান শারাফের (২৮ বলে ৩৬) সঙ্গে ৬৬ রানের জুটিতে দলকে লড়াইয়ে ফেরান অধিনায়ক সোমপাল কামি। এরপর গুলসান ঝার (২১ বলে ২৮*) সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৬৪ রানের আরেকটি দারুণ জুটিতে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান তিনি।
চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৩২ বলে অপরাজিত ৬২ রানের ইনিংস খেলেন কামি।
আসরে প্রথম দুই ম্যাচেই জিতল তার দল।
পাভান রাত্নায়াকের আরেকটি সেঞ্চুরিতে আরেকটি অসাধারণ জয়ের আশা জাগিয়েও পেরে উঠল না শ্রীলঙ্কা।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কোচ জোর দিয়ে বললেন, তাদের মধ্যে ‘কোনো সমস্যা নেই।’
সেমি-ফাইনালে গ্যাবনের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক রাতুল।