হোমপেজ লোড হচ্ছে…
এই ফিচার ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপটেড’ নয়। ব্যবহারকারী কোনো আইনি ঝামেলায় জড়ালে বা কর্মক্ষেত্রের আইনি বাধ্যবাধকতা এড়ানোর কোনো মাধ্যমও নয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রাহকদের আলাপ বা চ্যাটিং আরও সুরক্ষিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত মানুষের নজর থেকে গোপন রাখতে নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় এআই প্ল্যাটফর্ম চ্যাটজিপিটির নির্মাতা কোম্পানি ওপেনএআই।
‘লকড চ্যাট’ নামের নতুন এ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের চ্যাটিং ইতিহাসের বিশেষ কোনো আলাপের তালিকা, পিন করা চ্যাটিং বা সার্চ অপশন থেকে সম্পূর্ণ গোপন রাখতে পারবেন।
নতুন এ ফিচারে প্রবেশ করতে বা গোপন বিভিন্ন আলাপ দেখতে ব্যবহারকারীকে চার ডিজিটের পিন কোড ব্যবহার করতে হবে।
এ ছাড়া, আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা তাদের সুবিধার্থে ফেইস আইডি’র মতো বায়োমেট্রিক সিস্টেম দিয়েও এসব চ্যাটিং খোলার সুযোগ পাবেন।
সব সুবিধা যোগ হয়ে সব গোপন আলাপ নিয়ে তৈরি হবে ‘লকড চ্যাটস’ নামের আলাদা একটি প্রজেক্ট।
ওপেনএআই প্রকাশ্য স্থানে বা অন্য কারও হাতে ফোন দেওয়ার সময় চ্যাটজিপিটির সঙ্গে হওয়া আলাপ গোপন রাখার সুবিধা দিতেই ফিচারটি এনেছে।
কোম্পানিটি বলেছে, এটা কোনো ধরনের ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপটেড’ নয়। ব্যবহারকারী কোনো আইনি ঝামেলায় জড়ালে বা কর্মক্ষেত্রের আইনি বাধ্যবাধকতা এড়ানোর কোনো মাধ্যমও নয়।
চ্যাটিং লক করার কারণে এআই মডেলের ট্রেইনিং সেটিংস বা ওপেনএআইয়ের চ্যাটিং হিস্ট্রি সংরক্ষণ মেয়াদের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।
ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সতর্কবার্তাও দিয়েছে ওপেনএআই। কোনো কারণে অ্যাকাউন্ট পিন রিসেট করতে হলে ওই প্রজেক্টে সংরক্ষিত সব ‘লকড চ্যাট’ ও আপলোড করা ফাইল স্থায়ীভাবে মুছে যাবে।
ওপেনএআই বলেছে, “এই মুছে যাওয়া তথ্য আর কখনো পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয় এবং ওপেনএআই সাপোর্ট টিমের পক্ষেও হারিয়ে যাওয়া ডেটা ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে না।”
নতুন ফিচারটি পর্যায়ক্রমে সব ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে পৌঁছানো হচ্ছে। ফলে এখন ফিচারটি দেখতে না পেলে ব্যবহারকারীদের কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে।
বিনামূল্যে ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি ‘গো’, ‘প্লাস’ ও ‘প্রো’ সাবস্ক্রিপশন থাকা গ্রাহকরাও এই সুবিধা পাবেন।
অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ডিভাইসে লকড চ্যাটিংয়ের মধ্যেও ভয়েস মোড ব্যবহার করা যাবে। তবে ‘কোডেক্স’-এর মাধ্যমে করা আলাপ লক করার সুবিধা থাকছে না।
প্রযুক্তির ওপর মানুষের আস্থা দিন দিন বাড়ছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৬২ শতাংশই বলেছেন, এক বছর আগের তুলনায় এখন তারা এআই টুলের ওপর বেশি ভরসা পান।
পুরনো অমীমাংসিত এ মামলা সমাধানে গোয়েন্দাদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে কেবল ডিএনএ প্রযুক্তি একা কাজ করছে না, এর সঙ্গে রয়েছে এআইও।
এক বছর আগেও এ ধরনের ঘটনা দেখা যায়নি। এখন আক্রমণকারী ও প্রতিরোধকারী উভয় পক্ষই এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করায় সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
পরীক্ষায় দুই অংশকেই সফলভাবে ধরে ফেলতে পারলে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তির অগ্রগতিতে তা গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।