হোমপেজ লোড হচ্ছে…

গোপালগঞ্জে যুবলীগ-ছাত্রলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার বিকালে গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই মো. ফুল মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান।
মামলায় ৪০ জনের নাম দিয়ে অজ্ঞাত আরও ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার লুৎফর শেখ, জিহাদ বিশ্বাস, নাহিদ মোল্লা, স্বাক্ষর শেখ, তানভীর হোসেন, মাহাবুব রহমান ও মিরাজ তালুকদারকে সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।
মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, শনিবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। এ সময় সদর উপজেলার রঘুনাথপুর বুড়িমার গাছতলা এলাকায় টহলরত পুলিশের একটি দল ওই মিছিলের মুখোমুখি হয়। তখন তারা মিছিলটি থামানোর চেষ্টা করলে মিছিলকারীরা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় হামলাকারীরা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করে। এতে গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই মো. ফুল মিয়াসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।
গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশকে মারধর, গাড়ি ভাঙচুর
মন্ত্রী পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া কাঞ্চনপার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।
আমঝোল সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে গোতামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোনাব্বেরুল হক মোনা জানান।
প্রবারণা পূর্ণিমার মধ্য দিয়ে তিন মাসের বর্ষাবাস শেষ হয়। এরপর বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে শুরু হয় কঠিন চীবর দান উৎসব।
নিখোঁজের তিন দিন পর ৮ অক্টোবর বাড়ির অদূরে মেহগনি বাগানের ডোবা থেকে রোহানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।