হোমপেজ লোড হচ্ছে…

অটোমোবাইল, সেমিকন্ডাক্টর, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ সম্ভাবনাময় খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় সোমবার বিকাল পৌনে ৪টায় ইম্পেরিয়াল হোটেলে জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির সভাপতি ও মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি সাক্ষাৎ করতে এলে সরকারপ্রধান এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন বলেন, “এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কীভাবে জোরদার করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
“প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অটোমোবাইল, সেমিকন্ডাক্টর, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং উন্নত উৎপাদনশিল্পসহ সম্ভাবনাময় খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
“এসব খাতে জাপানের প্রযুক্তি, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি বলেছেন।”
উপপ্রেস সচিব স্বাধীন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন উন্নয়নে জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটি এবং মারুবেনি করপোরেশনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
“পাশাপাশি কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) আধুনিকায়ন এবং দেশে দ্বিতীয় একটি সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে জাপানি সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন।”
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে মাসুমি কাকিনোকির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান সরকারপ্রধান।
উপপ্রেস সচিব স্বাধীন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্কার, বিনিয়োগসংক্রান্ত অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারের মাধ্যমে জাপানি ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ আরও সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে।”
সাক্ষাৎকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসায়ুকি ওমোতোর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। ওই বৈঠকে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, তথ্যপ্রযুক্তি, এআই, সাইবার নিরাপত্তা, সার ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ‘অতি প্রবল’ আকার নিয়ে এটি বুধবার ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
এর বাইরে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের ৪৭ জন প্রতিবেশী, আটজন স্কুল শিক্ষক ও পাঁচজন আত্মীয়।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।